default-image

আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) খসড়া চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। খসড়া এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় এটি চূড়ান্ত করা হয়।

এর পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আরও ৯ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে খসড়া এডিপির আকার দাঁড়াল ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১১ কোটি টাকা।

শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, এডিপি পাস হয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায়। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠানের জন্য তারিখ চাওয়া হয়েছে। এ বছর পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি—এসব খাতকে এডিপিতে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে জনসমাগম এড়াতে যদি এনইসি সভা করা সম্ভব না হয়, তবে বিকল্প উপায়ে এডিপি পাস করা হবে। নতুন এডিপি খসড়ার সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। এনইসির চেয়ারপারসন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী আদেশে এডিপি চূড়ান্ত করার সুযোগ আছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী এডিপিতে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। বিদেশি সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে ৭০ হাজার ৫০১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকল্পসহ এডিপিতে মোট প্রকল্প সংখ্যা ১ হাজার ৮৪৭।

আগামী এডিপিতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পাচ্ছে পরিবহন খাত। এ খাতে মোট বরাদ্দ ৫২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ২৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, শিক্ষায় ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ১৩ হাজার ৩৩ কোটি টাকা, কৃষি খাতে ৮ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে।

চলতি অর্থবছরে মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। এখন তা সংশোধন করে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯২১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0