আইএমএফের প্রথম উপব্যবস্থাপনা পরিচালক গীতা গোপীনাথ টুইট করে আরও জানান, ২০২২ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। যদিও ৩ মাস আগের পূর্বাভাস ছিল ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। আর ২০২৩ সালের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়াতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ পূর্ব ইউরোপে মানবতার বড় সংকট তৈরি করেছে। দেশ ছেড়েছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ। এতে রুশ অর্থনীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে পূর্বাভাস। কিন্তু সমস্যার এখানেই শেষ নয়। রাশিয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞার ফলে ২০২২ সালে আগের পূর্বাভাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ১ শতাংশ কম হতে পারে মস্কোর জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল ইউরোপীয় ইউনিয়নের। রাশিয়ার তেল, গ্যাস, ধাতু এবং রাশিয়া ও ইউক্রেনের গম ও ভুট্টার সরবরাহের অভাবে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন জায়গায় বাড়বে জিনিসপত্রের দাম। ভুগবে নিম্ন আয়ের মানুষ।

একই সঙ্গে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন গীতা গোপীনাথ। এতে মূল্যস্ফীতির সূচক আরও ঊর্ধ্বগামী হতে পারে। সে জন্য তিনি মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে নীতি সুদহার বাড়াতে হতে পারে।

উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস করা হয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলের ২ দশমিক ৮ শতাংশ, জাপানের ২ দশমিক ৪ শতাংশ ও চীনের ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

ভারত আবার দ্রুততম প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ, যদিও চলতি অর্থবছরে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৮০ বেসিস পয়েন্ট ছেঁটে ৮ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়েছে আইএমএফ। ২০২৩-২৪ সালের পূর্বাভাস ৭ দশমিক ১ থেকে কমিয়ে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ করা হয়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন