বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে বছরে ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ওষুধ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফার্মাসি শিক্ষার মানকে উন্নত করতে পারলে একদিকে ওষুধের মান যেমন বাড়বে, তেমনি ২০১৮ সালের মধ্যে রপ্তানি ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে গতকাল শনিবার স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস আয়োজিত ‘স্যামসন চৌধুরী স্মৃতি সম্মেলন ২০১৫’ তে এমন মতামতই তুলে ধরেন ওষুধ খাতের উদ্যোক্তারা। দেশের ওষুধশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা স্যামসন এইচ চৌধুরীর সম্মানে আয়োজিত এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ও বর্তমান বাস্তবতা’।
প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর স্ত্রী অনিতা চৌধুরী দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে তিনটি অধিবেশনের আয়োজন ছিল।
‘ওষুধশিল্পে প্রযুক্তির অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ’ শীর্ষক সম্মেলনের শেষ অধিবেশনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব আবদুল মুক্তাদির।
দ্বিতীয় অধিবেশনের বিষয় ছিল অণুজীববিজ্ঞান গবেষণার অগ্রগতি ও বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে এর প্রয়োগ। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। প্রথম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বাংলাদেশের ওষুধশিল্প কোন দিকে যাচ্ছে’। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন আইএমএস হেলথ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার আবাসিক প্রতিনিধি আমিনুর রহমান। এতে সমন্বয়ক ছিলেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতির সভাপতি সালমান এফ রহমান। অধিবেশনে প্যানেল আলোচক ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন