default-image

‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত পণ্যের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান লাভ করতে ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন করেছেন নবনিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলররা। তারা প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিশ্বের সম্ভাবনাময় দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের প্রমোশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের চেষ্টা চালাবেন।

গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন শেষে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে নবনিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলররা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাহিদ আফরোজের নেতৃত্বে নবনিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন তেহরানে নিয়োগপ্রাপ্ত ড. জুলিয়া মঈন, ইয়াংগুণে নিযুক্ত শাহেদুল আকবর খান, সিউলে ড. মিজানুর রহমান, লস অ্যাঞ্জেলসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ-উল-আলম, ব্রাসেলসে নিয়োগপ্রাপ্ত সফিউল আজম এবং কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দপ্তরের প্রথম সচিব বজলুর রশীদ। ওই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল ও সৈয়দা নাহিদা হাবিবাসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী প্রধান শামীমা আক্তার।

বিজ্ঞাপন

অতিথিরা ওয়ালটন কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছালে তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর আলম সরকার এবং ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম।

এরপর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। তারপর তারা ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টারসহ পর্যায়ক্রমে ঘুরে দেখেন বিশ্বমানের রেফ্রিজারেটর উৎপাদন প্রক্রিয়া, মেটাল কাস্টিং, ফাউন্ড্রি, কম্প্রেসর, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, এসএমটি প্রোডাকশন, পিসিবি, কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোন উৎপাদন ইউনিটসহ বিভিন্ন পণ্যের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ। সেসময় তারা বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কোয়ালিটি কন্ট্রোল, টেস্টিং ও আরএনডি বিভাগ সর্বত্র সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং উৎপাদন পণ্যের উচ্চ মান দেখে অভিভূত হন। প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের সহায়তা করবে বলেও জানিয়েছেন নবনিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলররা।

মন্তব্য পড়ুন 0