বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এরিক ব্রাগানজা বলেন, গত এপ্রিলে সাড়ে ১৭ লাখ এসি বিক্রি হয়েছে, যা ২০২১ সালের একই সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। এমনকি গত এপ্রিলের বিক্রি ২০১৯ সালের এপ্রিলের তুলনায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেশি। এ বিক্রি বেড়েছে মূলত ভারতজুড়ে তীব্র দাবদাহের কারণে। এসির চাহিদা চলতি মে ও আসন্ন জুন মাসেও বেশি থাকবে বলে মন্তব্য করেন সিইএএমএর সভাপতি।

২০২২ সাল নাগাদ এসির বাজারের কী অবস্থা হতে পারে, এমন এক প্রশ্নের উত্তরে এরিক ব্রাগানজা বলেন, বছরের প্রথম চার মাসের বেচাবিক্রির ধরন বলছে, এ বছর মোট এসির বিক্রি ৮৫ থেকে ৯০ লাখের মধ্যে থাকবে। এখন বিদ্যুৎ খরচ কম এমন এসির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে কাঁচামাল সংকটের কারণে এ ধরনের এসির সরবরাহে কিছুটা টানাটানি আছে। এ কারণে বাজারে এ ধরনের বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ী এসি কম পাওয়া যাচ্ছে।

সিইএএমএর সভাপতি আরও বলেন, বাজারে হঠাৎ চাহিদা অনেক বেড়ে যাওয়ায় এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এসির দাম ৪ থেকে ৫ শতাংশ বেড়েছে। আবার করোনার মধ্যেও গত ১৮-২০ মাসে হোম অ্যাপ্লায়েন্সের বাজারে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এ মূল্যবৃদ্ধিকে আরও উসকে দিচ্ছে। কারণ, বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দাম, অপরিশোধিত তেলের মূল্য ও জাহাজের ভাড়া অনেক বেড়ে গেছে। ফলে আগামী মাসগুলোতে এসির দাম আবার ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এপ্রিলে যেসব ব্র্যান্ডের এসির রেকর্ড কেনাবেচা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ভোল্টাস, প্যানাসনিক, হিটাচি, এলজি, হায়ার অন্যতম। টাটা গ্রুপের ব্র্যান্ড ভোল্টাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ বকশি বলেন, ‘এই সময়ে আমাদের এসির বিক্রিতে একধরনের অপ্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি এসেছে। এ খাতের সবাই ভালো ব্যবসা করেছে। তার মধ্যে আমাদের প্রবৃদ্ধির হার তিন অঙ্কের ঘরে চলে এসেছে।’

প্যানাসনিক ইন্ডিয়ার এসি বিভাগের ব্যবসাপ্রধান গৌরব শাহ বলেন, ‘এপ্রিলে আমরা রেকর্ড এক লাখ এসি বিক্রি করেছি। যেটা ২০২১ সালের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেশি। আর ২০১৯ সালের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি।’

হিটাচি ইন্ডিয়া বলছে, আগের বছর এপ্রিলের তুলনায় এবার এসি বিক্রি হয়েছে দ্বিগুণের বেশি। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এই মৌসুমে তারা ১ হাজার ৫ কোটি রুপির ব্যবসা করবে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন