default-image

২০১৪ সালে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের বার্ষিক রাজস্ব আয় ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এ বছর প্রকৃত মুনাফা করেছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা।
আজ সোমবার ২০১৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজিব শেঠি, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) দিলীপ পালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রামীণফোন ২০১৪ সালে মোট ১০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা ২০১৩ সালের তুলনায় ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। সেবা থেকে অর্জিত রাজস্ব বেড়েছে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রাহকদের ব্যবহার্য ডিভাইস ও অন্যান্য রাজস্ব বেড়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০১৪ সালে নিট মুনাফা হয়েছে এক হাজার ৯২০ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ৬৫ শতাংশ (প্রতিটি শেয়ারের জন্য সাড়ে ছয় টাকা) নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। রেকর্ড ডেট ১৮ ফেব্রুয়ারি। এ লভ্যাংশ অনুমোদনের উঠবে আগামী ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম)।
এর আগে গত আগস্টে ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্রামীণফোন। এর ফলে ২০১৪ সালের জন্য মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল পরিশোধিত মূলধনের ১৬০ শতাংশ (প্রতিটি ১০ টাকার শেয়ারের জন্য ১৬ টাকা)। ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনে নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন ৪৪ লাখ। এর ফলে বছর শেষে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০১৩ সালে থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপন, টুজি নেটওয়ার্কের মানোন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে গ্রামীণফোন। এ ছাড়া ২০১৩ সালে কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), শুল্ক ও লাইসেন্স ফি হিসেবে সরকারি কোষাগারে ৫ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা দিয়েছে।
গ্রামীণফোনের নবনিযুক্ত সিইও রাজিব শেঠি বলেন, ‘গত বছর দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। ২০১৫-তে আরও ভালো করার লক্ষ্য স্থির করেছি।’

বিজ্ঞাপন
বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন