default-image

২০১৪ সালে দেশের শীর্ষ মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় হয়েছে ১০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি এ বছর কর-পরবর্তী প্রকৃত মুনাফা করেছে ১ হাজার ৯২০ কোটি টাকা।
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার ২০১৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজীব শেঠি, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) দিলীপ পালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলোচ্য বছরে গ্রামীণফোনের আয় ২০১৩ সালের চেয়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৪ সালে কোম্পানিটির নিট মুনাফা ২০১৩ সালের ১ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা চেয়ে ৩০ দশমিক ৬১ শতাংশ বেড়েছে­।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ডসভায় ২০১৪ সালের জন্য পরিশোধিত মূলধনের ৬৫ শতাংশ (প্রতিটি শেয়ারের জন্য সাড়ে ছয় টাকা) নগদ লভ্যাংশ প্রদানের িসদ্ধান্ত হয়েছে। লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের আগস্টে ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ২০১৪ সালের জন্য মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল পরিশোধিত মূলধনের ১৬০ শতাংশ (প্রতিটি ১০ টাকার শেয়ারের জন্য ১৬ টাকা)। এই বছরে গ্রামীণফোনে নতুন গ্রাহক যোগ হয়েছে ৪৪ লাখ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রামীণফোন ২০১৩ সালে থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপন, টুজি নেটওয়ার্কের মানোন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। একই বছরে কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), শুল্ক ও লাইসেন্স ফি হিসেবে সরকারি কোষাগারে পাঁচ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।
গ্রামীণফোনের নবনিযুক্ত সিইও রাজীব শেঠি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব টেলিযোগাযোগ খাতে কতটা পড়ছে—এমন একটি প্রশ্নের জবাব দেন। এতে তিনি বলেন, ‘চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমাদের গ্রাহকদের ওপর। নিশ্চিতভাবেই এর নেতিবাচক প্রভাব ভয়েসকল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে পড়ছে। এ পরিস্থিতি শিগগিরই কেটে যাবে বলে আমরা আশা করি।’

বিজ্ঞাপন
বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন