অভিমত

গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে চাই

বিজ্ঞাপন
default-image

আমার প্রথম দায়িত্ব গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া। দ্বিতীয় দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানটিতে যে ধরনের অপকর্ম হয়েছে, তার বিচারের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করা। সেটা আদালত, দুর্নীতি দমন কমিশন বা যেকোনো সরকারি সংস্থাকে হতে পারে। পি কে হালদার মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, ২৫–২৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে তিনি টাকা সরিয়েছেন। আবার তাঁর অনেক সম্পদ আছে। এখন যারা দায়িত্বে আছে, তারা বলছে, পি কে হালদার ছাড়া তারা কিছুই জানে না। এসব সম্পদ আবার বন্ধকিও করা নেই। ফলে তিনি ফিরে এলেই কেবল এসব সম্পদ ঋণের বিপরীতে বন্ধকি করা যাবে। এর মাধ্যমে টাকা আদায় করা যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পি কে হালদার দেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করে আমাদের কাছে চিঠি দিয়েছে। এখন তাকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারণ, যেকোনো উপায়ে আমরা গ্রাহকদের টাকা ফিরিয়ে দিতে চাই। আমরা আদালতে গিয়েছি, সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা হবে। পি কে হালদার দেশে এলে জবাবদিহির সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমাদের পর্ষদও মনে করে, তিনি দেশে না ফিরলে এত টাকার হিসাব মেলানো সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমান পর্ষদ পুনর্গঠন করতে বলেছে। তবে শর্ত দিয়েছে, পরিচালকেরা ঋণের দায়দায়িত্ব নেবে। এখন তারা যদি দায়িত্ব না নেয়, আমি তো কাউকে জোর করতে পারি না। সামনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করা হবে। সেখানে বেশ কিছু পরিবর্তন আসবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পি কে হালদার দেশে ফিরে এলে সমস্যার সমাধান না হোক, জবাবদিহির একটা পথ খুলবে। অল্প কিছু হলেও টাকা আদায় সম্ভব হবে। এর মধ্যে আমরা কিছু আমানতকারীকে টাকা ফেরত দিয়েছি। ঋণের টাকাও আদায় শুরু হয়েছে। নিশ্চয়ই একটা সমাধান হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন