বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এজিএমে সভাপতিত্ব করেন আশার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ডালেম চন্দ্র বর্মন। আশার প্রেসিডেন্ট মো. আরিফুল হক চৌধুরী সদ্য সমাপ্ত আর্থিক বছরের ওপর প্রতিবেদন পেশ করেন। এজিএম সঞ্চালনা করেন আশার নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী।

২০২১-২২ অর্থবছরের উদ্বৃত্ত আয় থেকে আশা প্রায় ৩৫ কোটি টাকা করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় করবে—এজিএমে এ সিদ্ধান্তও হয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে আছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ, ফিজিওথেরাপি, স্যানিটেশন ইত্যাদি।

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে সংস্থাটি ২৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করবে বলে একইভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল। আর উদ্বৃত্ত আয় থেকে ৫১ কোটি টাকা সিএসআর খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা।
আশা সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়। তবে করোনার কারণে ঋণের কিস্তি কিছুটা আটকে থাকে। আয়ের ওপর চাপ পড়ায় সিএসআর কর্মসূচিতে আগেরবারের তুলনায় এবার কম বরাদ্দ রাখা হয়।

ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এমআরএ) ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের নিবন্ধিত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৪২টি শাখা আশার। ওই বছর আশার ৭৫ লাখ ৭৭ হাজার সদস্য এবং ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ঋণগ্রহীতা সদস্য ছিল। ওইবার সংস্থাটি ঋণ দিয়েছিল ২৯ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন