default-image

চিনিকলগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ। আধুনিকায়ন করা হয়নি। অব্যবস্থাপনারও অন্ত নেই। মিলের খামারে এক কেজি আখ উৎপাদনে খরচ ৬ টাকা ৬১ পয়সা। অথচ কৃষক সাড়ে তিন টাকা কেজি দরে আখ বিক্রি করেও মুনাফা করছে।

পৃথিবীর কোথাও শুধু চিনি বিক্রি করে মিল লাভজনক করার নজির নেই। সে জন্য উপজাত পণ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই। সরকারি চিনিকল নিয়ে নতুন পরিকল্পনা হচ্ছে। থাইল্যান্ড ও জাপান আমাদের তিনটি চিনিকলে ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায়।

বিজ্ঞাপন

তারা সেখানে চিনির সঙ্গে স্পিরিট ও অ্যালকোহল উৎপাদন করবে। উচ্চমানসম্পন্ন স্পিরিট ও অ্যালকোহল বিদেশে রপ্তানি করা হবে। আখের উচ্চফলনশীল জাতও নিয়ে আসবে বিনিয়োগকারীরা। আখের ছোবড়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। আমরা বিদেশি বিনিয়োগের এ প্রস্তাব পর্যালোচনা করছি।

সরকারি চিনিকলের চিটাগুড় বিক্রিকে ঘিরে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। কখনই ৫০ কোটি টাকার বেশি চিটাগুড় বিক্রি হতো না। আমি সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছি। চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে ৫৮ হাজার মেট্রিক টন চিটাগুড় ১০২ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0