default-image

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ূন বলেছেন, চিনিশিল্প বিক্রি হতে দেব না। যদিও অনেকেরই লোভ আছে। কিন্তু সরকার এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত লাখ লাখ পরিবারের কথা ভাবছে।

আজ শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানি পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজকের উন্নয়নের যে ধারা, সেখানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিশাল ভূমিকা। বিশেষ করে আমার চিনিশিল্পের। কেন এটাতে লস হচ্ছে। কীভাবে এটাকে রিভাইস করা যায়। কীভাবে ডাইভারসিটি করা যায়। মডার্ননাইজেশন করা যায়। আমরা এসেছি সরেজমিনে তা দেখার জন্য।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হবে। চিনিশিল্পের প্রচুর সম্পদ আছে। এই খাতের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। এ জন্য সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে।’

নূরুল মজিদ হুমায়ূন বলেন, ‘চিনিশিল্পের আধুনিকায়ন ও বৈচিত্র্য আনার কাজে যাব। এখানে আমাদের শ্রমিকদের স্বার্থ দেখব। তাঁরা চাকরি হারাবেন না। বিশেষজ্ঞ ছাড়া অতিরিক্ত, অযথা যাঁরা আছেন, মাথাভারী প্রশাসনও থাকবে না। কাজ করতে হবে, দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

মন্ত্রী আজ কেরু উচ্চবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও কেরুজ জৈব সার কারখানা পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া কেরুজ বাণিজ্যিক খামারে আখ রোপণ কার্যক্রমের শুভসূচনা করেন। আজ বিকেলে কেরুজ জেনারেল মাঠে মিলের কর্মকর্তা, আখচাষি ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সন্ধ্যায় কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে এসব অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাংসদ মো. সাহিদুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ আলী আজগার টগর, শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থার চেয়ারম্যান অজিত কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন। কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদ আলী আনছারী অনুষ্ঠানসমূহে সভাপতিত্ব করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন