বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো বাংলাদেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির গেম চেঞ্জার। একটি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হওয়া মানে নতুন কর্মসংস্থান, নতুন বিদেশি বিনিয়োগ আর নতুন সব শিল্প উদ্যোগ। কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিবন্ধন সনদপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলে বিনিয়োগের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হলো।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ২৪৬ একর জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল। পরে এটিকে ৩৫০ একরে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বেজার। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রায় ৫০ শতাংশ জমি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

ঢাকার নিকটবর্তী ও ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী হওয়ায় দেশি–বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছে কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে মনে করছেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আসবে বলে আশা করছি।’

অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইতিমধ্যে ৩৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে ১২টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান। এসব কারখানার উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের ২৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার লোকের। কুমিল্লার নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে ৬০টির বেশি শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে। আর কর্মসংস্থান হবে প্রায় ৫০ হাজার লোকের। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাণিজ্যিক প্লট থাকবে ১১৬টি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চলটি মেঘনা গ্রুপের তৃতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল। এর আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আলাদা দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে মেঘনা গ্রুপ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন