বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস ফোরামের আহ্বায়ক চৌধুরী হাসানুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, এবার ঈদের আগে-পরে ৩৫-৪০ হাজার লোক ভারতে ভ্রমণ করবেন। তবে ভিসায় নতুন নতুন ধারা সংযোজনের ফলে অনেক বাংলাদেশি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের মতো দেশে যেতে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এই জটিলতা না থাকলে এবার ঈদে আরও বেশিসংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে ভ্রমণ করতেন বলে মনে করেন তিনি।

ঈদকেন্দ্রিক পর্যটন চাঙা হওয়ায় টিকিটের বাড়তি চাপ আছে উল্লেখ করে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) প্রথম আলোকে বলেন, কলকাতা ও মালদ্বীপ রুটে প্রায় ৮০ শতাংশ টিকিট বুকড হয়ে গেছে। তবে বিমানের সক্ষমতা বেশি নয়। যাঁরা ভারতে যাবেন, তাঁদের অধিকাংশই যাবেন স্থলপথে। নেপালেও যাবেন অনেকে। তবে ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা পুরোপুরি না কাটায় অনেকে লম্বা দূরত্বের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে যেতে পারছেন না।

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ঈদের লম্বা ছুটিতে দেশের বাইরে যেতে প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্বে আছেন পর্যটকেরা। বেশির ভাগ পর্যটক ট্যুর অপারেটর ও বিমান সংস্থার কাছে কাছাকাছি দূরত্বের দেশে যাওয়ার টিকিট বুকিং দিচ্ছেন। এর মধ্যে বড় অংশ ভারতে যাচ্ছেন। এই তালিকায় পরের অবস্থানে আছে নেপাল ও মালদ্বীপ। এ ছাড়া এবার ঈদে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও দুবাই ঘুরতে যাচ্ছেন অনেকে।

তবে ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বড় অংশটা দেশের মধ্যেই ঘুরবেন। কক্সবাজার, সিলেট, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও দক্ষিণের জেলা খুলনার সুন্দরবনেই ঘুরবেন অধিকাংশ দেশীয় পর্যটক। ইতিমধ্যে অনেকেই এসব পর্যটন এলাকায় হোটেল-মোটেল বুকিং দিয়েছেন। আগে থেকে বাস-ট্রেনের টিকিট কেটে রাখছেন এসব পর্যটক। সহজে যাতায়াতের জন্য অনেকে বিমানের টিকিট খুঁজছেন।

সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, ‘আমাদের হোটেলে ৬৫ শতাংশ কক্ষ বুকিং শেষ। তবে অনেকে শেষ মুহূর্তে ২০-৩০ জনের গ্রুপ করে আসেন। তাঁরা এলে হোটেলে কক্ষ ফাঁকা থাকবে না। এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।’ তবে ভিসা জটিলতার কারণে এবার অনেকে সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককের মতো জায়গায় যেতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন প্রবীণ এই পর্যটন ব্যবসায়ী।

গরমে ভ্রমণ আনন্দদায়ক করতে অনেকেই বিলাসবহুল রিসোর্ট খুঁজছেন। সিলেটের নাজিম গর রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মো. বদরুদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, ‘এখানে শৌখিন পর্যটকেরা আসেন, ধারণক্ষমতাও বেশি নয়। মাত্র ৩৭ কক্ষের এই রিসোর্ট, ৮০ শতাংশের বুকিং শেষ। এখনো চাহিদা আসছে।’

তবে কক্সবাজারে তুলনামূলক হোটেল বুকিং এখনো কম। যদিও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখনো বেশ খানিকটা সময় আছে। হোটেল সি কক্সের মহাব্যবস্থাপক রেদোয়ান সাঈদী বলেন, ‘গরম বেশি ও অনেকে দেশের বাইরে যাচ্ছেন। এ জন্য হয়তো এবার কক্সবাজারে উপচে পড়া ভিড় হবে না।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন