বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সালমান এফ রহমান মনে করেন, ‘এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। করোনার মধ্যে আমরা ৫ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। মহামারির মধ্যে অন্যরা কাজ করে এই প্রবৃদ্ধি করতে পারলে কেন ছয় মাসেও ইডিএস মেশিন চালু হবে না—এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন শেষে আজ বুধবার সন্ধ্যায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এ সময় বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, বর্তমান কমিটির সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, শহিদউল্লাহ আজিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, ছয় মাসেও নতুন দুটি ইডিএস মেশিন চালু না হওয়ার পেছনে গাফিলতি আছে। এটি দুঃখজনক। তিনি বলেন, বেবিচকের কর্মকর্তারা বলছেন, যন্ত্র যাচাইয়ের জন্য মধ্য অক্টোবরে বিদেশ থেকে লোক আসবে। নভেম্বরে যন্ত্র দুটি চালু হবে। আর নষ্ট দুই যন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ নেই। সাত দিনের আগে এগুলো ঠিক হবে না।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘চীনে বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে অনেক বস্ত্রকল বন্ধ। সামনে তাদের নববর্ষ। আবার ভিয়েতনামে করোনার কারণে কারখানা বন্ধ। ফলে আমাদের কাছে অনেক ক্রয়াদেশ আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আবার বড়দিন যত এগিয়ে আসবে, ততই কার্গোর ওপর চাপ বাড়বে। ইডিএস ঠিক না হলে চলমান ক্রয়াদেশের পণ্য পাঠানো সম্ভব হবে না, বাড়তি ব্যবসাও আমরা নিতে পারব না। তিনি আরও বলেন, ইডিএস নষ্ট থাকায় রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।’

কার্গো ভিলেজের সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করার কথা জানান সালমান এফ রহমান। তিনি আরও বলেন, ‘আমি সিরিয়াস মিটিং করব, কারণ রপ্তানি আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। বিদেশি ক্রেতারা বলছেন, বিমানবন্দরে এত সময় লাগলে তাঁরা কীভাবে বাড়তি ব্যবসা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের ওপর ভরসা করবেন।’

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন