বিজ্ঞাপন

জাতীয় পরিসংখ্যান উপদেষ্টা পরিষদের কাজ কী হবে, তা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে পরামর্শ দেবে পরিষদ। পাশাপাশি জাতীয় প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহারের উপযোগী তথ্য সংগ্রহের জন্য বিবিএসকে পরামর্শ দেওয়া হবে। উপদেষ্টা পরিষদ দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শুমারি ও জরিপ করতে পরিসংখ্যান বিষয়ে অগ্রাধিকার কী হবে, তা ঠিক করে দেবে। উল্লেখ্য, বিবিএসের জনশুমারিসহ বিভিন্ন জরিপ প্রায়ই সমালোচনার জন্ম দেয়।

বিবিএসের কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৩ সালের আগে একটি পরিসংখ্যান কাউন্সিল ছিল। ওই বছরে পরিসংখ্যান আইন অনুমোদন হয়। আইনটির শর্ত অনুযায়ী ওই কাউন্সিল বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে জরিপ ও শুমারিতে বিতর্ক এড়াতে এবং স্বচ্ছ জরিপ শুমারি করতে নতুন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর রূপনগরে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের জন্য নির্মাণাধীন ১৫ তলাবিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক ভবনের দুইতলা পরিসংখ্যান একাডেমির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তারা ওই একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।

জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রতিবছর আমাদের যেভাবে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে, তাতে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি একাডেমি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশে যত পরিসংখ্যানবিদ আছেন, অথবা যাঁরা পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের জন্য এই একাডেমিতে আবাসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাবে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন