বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি ‘ক্যামেলস রেটিং’-এর জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রতিবছরের তথ্য ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে হয়। কিন্তু এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে চাইলে তথ্য জমা না দিয়েও জনতা ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে।

পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, তথ্য জমা দিতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুছ ছালাম আজাদ ৬ ফেব্রুয়ারি নথিতে স্বাক্ষর করেন। এরপরও ব্যাংকটির কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেননি। সে জন্য কেন জরিমানা আরোপ করা হবে না তা জানতে চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক চিঠি দেওয়ার পর মার্চের প্রথম সপ্তাহে ব্যাংকটি তথ্য পাঠায়। তবে নথিপত্রে তারিখ ছিল ৬ ফেব্রুয়ারি। এ নিয়ে ব্যাংকটি যথাযথ জবাব দিতে পারেনি। এরপরই ব্যাংকটিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ মার্চ জনতা ব্যাংক জরিমানা মওকুফের আবেদন করে। তবে ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সেই আবেদন নাকচ হয়ে যায়।

এদিকে জনতা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে জানান, পুরো বছরের তথ্য গত ৩১ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত হয়নি। তাই সময়মতো তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানালে তারাও সময় দিয়েছিল। এর মধ্যেই জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক রয়েছে সবচেয়ে বড় সংকটে। অ্যাননটেক্স ও ক্রিসেন্ট গ্রুপের খেলাপি ঋণের চাপ নিয়ে ব্যাংকটি এখন বড় সমস্যার মধ্যে আছে। এতে একরকম থমকে গেছে ব্যাংকটির ব্যবসা। অথচ একসময় জনতা ব্যাংক ছিল দেশের সব শিল্পগোষ্ঠীর ঋণের ঠিকানা। এখন হয়েছে শীর্ষ খেলাপিদের ঠিকানা।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন