বিজ্ঞাপন

সভাপতি পদের জন্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কয়েক মাস আগেই সবুজসংকেত পান জসিম উদ্দিন। ফলে সভাপতি পদে তাঁর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। তবে সহসভাপতি পদ নিয়ে বেশ দর-কষাকষি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে সহসভাপতি হয়েছেন এম এ মোমেন, মো. আমিন হেলালী ও মো. হাবিব উল্লাহ ডন। আর চেম্বার গ্রুপ থেকে সহসভাপতি হয়েছেন মো. আমিনুল হক শামীম, সালাহউদ্দিন আলমগীর ও এম এ রাজ্জাক খান।

এখানে উল্লেখ্য, ২০২১-২৩ মেয়াদের জন্য সংগঠনটিতে মোট পরিচালক পদ ৮০টি। এসব পদ আবার দুই ভাগে বিভক্ত। এক ভাগে জেলাভিত্তিক বাণিজ্য সংগঠন বা চেম্বার থেকে ৪০ জন পরিচালক হন। বাকি পদ পণ্যভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠনের জন্য সংরক্ষিত।

চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ৩৪ জন মনোনীত পরিচালক পদের বিপরীতে আবেদন করেন ৩২ জন ব্যবসায়ী। অন্যদিকে সরাসরি ভোটের জন্য চেম্বার গ্রুপের ২৩ পরিচালক পদের বিপরীতে ২৫ জন প্রার্থী হয়েছিলেন। আর অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ২৩ পদের বিপরীতে প্রার্থী হন ২৬ জন। তবে খেলাপি হওয়ায় অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের একজন প্রার্থিতা হারান। এরপরও চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপে ২ জন করে ৪ জন বেশি প্রার্থী ছিলেন। পরে সমঝোতার মাধ্যমে ৪ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এ জন্য সাধারণ সদস্যরা গত ৫ মে আর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি।

সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছেন ৭০-এ। তার মধ্যে অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ৩৫ জন। বাকিরা চেম্বার গ্রুপ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও দুটি পরিচালক পদ শূন্যই থাকছে।

এফবিসিসিআইয়ে সর্বশেষ ভোট হয় ২০১৭ সালে, তা-ও আংশিক। ওই সময় সভাপতি হন শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। পরিচালক পদেও চেম্বার অংশে ভোট ছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন। তবে পণ্যভিত্তিক সংগঠন বা অ্যাসোসিয়েশন অংশে তখন ভোট হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছিলেন অনেক ব্যবসায়ী।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন