জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের বেশি থাকবে: অর্থমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
default-image

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের বেশি থাকবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

'সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস' শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২ থেকে ৩ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংক যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন। আজ সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জিডিপির হার নিয়ে বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ, এখনই এটা বলার সময় আসেনি। বিশেষ করে অঙ্ক ধরে কথা বলার উপযুক্ত সময় এটা নয়।

আট মাসের তথ্য থাকার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'এগুলো যাচাই করে কিছুদিন আগে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলেছে এবার বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ফলে বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাসকে আমি সময়োপযোগী বা পরিপক্ক কোনোটাই মনে করি না।'

মুস্তফা কামাল মনে করেন, 'করোনাাইরাসের প্রভাবে পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশের জিডিপির হারও কমবে স্বীকার করছি। তবে বিশ্বব্যাংক যতটা কমবে বলেছে, ততটা কমবে না। চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমপক্ষে ৬ শতাংশের ওপরে থাকবে।'

যুক্তি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব শুরু হওয়ার আগেই চলতি অর্থবছরের ৮ মাস পার হয়ে হয়ে গেছে। বাকি আছে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস। এ সময়ে যদি শূন্য বা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিও হয়, তারপরও আগের ৮ মাসে যা অর্জিত হয়েছে, তা ৬ শতাংশের বেশিই থাকবে।

অর্থনীতির চেয়েও এই সময়ে মানুষের জীবনরক্ষাকে বড় অগ্রাধিকার বলে মনে করেন মুস্তফা কামাল। বলেন, মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, খাবারের জোগান দেওয়াসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই এখন মৗলিক কাজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির প্রধান তিন খাত হলো কৃষি, শিল্প ও সেবা। কৃষি খাতে করোনাভাইরাসের তেমন প্রভাব পড়েনি। করোনাভাইরাসের প্রভাব যদি দীর্ঘায়িত না হয়, তাহলে কৃষি খাতে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে পুরো প্রবৃদ্ধিই অর্জন করা যাবে। শিল্প খাতে কিছুটা প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এটা কাটানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সেবা খাতেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। সেটাও কাটানো সম্ভব।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন