শেয়ারবাজার

ডিএসইর প্রধান সূচকটি আবার ৫ হাজার ছাড়াল

  • দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক আবারও ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়িয়েছে।

  • গত প্রায় এক বছরের মধ্যে এটিই ডিএসইএক্সের সর্বোচ্চ অবস্থান।

  • এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৩৪ পয়েন্টে।

বিজ্ঞাপন
default-image

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক আবারও ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১১ পয়েন্টে। গত প্রায় এক বছরের মধ্যে এটিই ডিএসইএক্সের সর্বোচ্চ অবস্থান। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৩৪ পয়েন্টে।

বেশ কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে লেনদেন ও সূচকে চাঙাভাব বিরাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেনের ওপর ভর করে গতকাল ৫ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমা ছাড়িয়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলামের নেতৃত্বে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন কমিশন গঠনের পর প্রথমবারের মতো সূচকটি ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছর শুরু হয়েছিল ডিএসইএক্সের নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়ে। বছরের শুরুর দিনে ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৪ হাজার ৪৫৩ পয়েন্টে। তখন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নেতৃত্বে ছিলেন এম খায়রুল হোসেন। টানা ৯ বছর তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিশনের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। এ কারণে গত ১৮ মার্চ ডিএসইএক্স সূচকটি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৬০০ পয়েন্টের অবস্থানে নেমে আসে। আর তখনই পতন ঠেকাতে ১৯ মার্চ শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়া হয়। এভাবে দাম বেঁধে দিয়ে বাজারে পতন থামাতে বাধ্য হয় খায়রুল কমিশন। এর মধ্যে আসে করোনার হানা। সংক্রমণ রোধে ২৬ মার্চ থেকে দেশে ঘোষণা করা হয় সাধারণ ছুটি। শেয়ারবাজারের লেনদেনও বন্ধ হয়ে যায় ওই দিন থেকে। শেয়ারবাজার বন্ধের মধ্যেই বিদায় নেয় খায়রুল কমিশন।

নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়ে টানা ৬৬ দিন বন্ধের পর ৩১ মে থেকে শেয়ারবাজার পুনরায় চালু করে। তবে বাজারে গতি ফিরতে শুরু করে জুলাই থেকে। ৭ জুলাই ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৪ হাজার ২ পয়েন্টে। আর ওই দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩৯ কোটি টাকা। তাতে প্রায় দুই মাসের ব্যবধানে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে প্রায় ১ হাজার পয়েন্ট। আর লেনদেন ছাড়িয়েছে হাজার কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকার লেনদেনের চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, মূলত শেষ ঘণ্টার উত্থানেই সূচকটি ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছুঁয়েছে। এর আগে লেনদেন শুরুর পর থেকে বেশির ভাগ সময় সূচকটি উত্থান–পতনের মধ্যে ছিল। শেষ ঘণ্টায় ব্যাংক ও আর্থিক খাতসহ বড় মূলধনি কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভর করে সূচকের উত্থান ঘটে। এখন বিনিয়োগকারীদের আশা, সূচকের এই অবস্থান যেন স্থায়ী হয়।


শেয়ারবাজারে আসছে ইনডেক্স অ্যাগ্রো

শেয়ারবাজারে আসছে ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। দরপত্রের মাধ্যমে কোম্পানির শেয়ারের ভিত্তিমূল্য বা প্রান্তসীমা মূল্য নির্ধারণের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসইসির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঢাকার লেনদেনের চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, মূলত শেষ ঘণ্টার উত্থানেই সূচকটি ৫ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছুঁয়েছে। এর আগে লেনদেন শুরুর পর থেকে বেশির ভাগ সময় সূচকটি উত্থান–পতনের মধ্যে ছিল। শেষ ঘণ্টায় ব্যাংক ও আর্থিক খাতসহ বড় মূলধনি কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভর করে সূচকের উত্থান ঘটে। এখন বিনিয়োগকারীদের আশা, সূচকের এই অবস্থান যেন স্থায়ী হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন