আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ মুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিয়ন ফেডারেশন ও বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটি জানিয়েছে, যথাযথভাবে আইন ও নিরাপত্তা বিধিবিধান না মানার ফলে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। তারা মনে করে, এটা হত্যাকাণ্ডের শামিল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৫২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। কারখানার পঞ্চম ও ষষ্ঠতলায় উদ্ধার অভিযান শেষ হলে নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা আছে। শ্রমিক সংগঠনগুলো বলেছে, কারখানার মালিক এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারে না।

এই অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনগুলোর দাবি: ১. অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া। ২. এই কারখানায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শেষ নিরীক্ষণের তথ্য ও তাদের পদক্ষেপ জনসমক্ষে প্রকাশ। ৩. আইএলও কনভেনশনের ১২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা। ৪. ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া।