বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২০ জুন সকালে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে চকবাজারের আমানিয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় নাশতা করেন ইমাম উদ্দিন। বিল বাবদ ৮৫ টাকা পরিশোধ করেন। এর মধ্যে ৭৯ টাকা নাশতার বিল এবং বাকি ৫ টাকা ৯৩ পয়সা বা ৬ টাকা ভ্যাট।

সুখবর হলো, ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত ভ্যাটের লটারিতে ইমাম উদ্দিন প্রথম বিজয়ী হন। বিজয়ী হিসেবে এক লাখ টাকা পুরস্কার জিতেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে এক লাখ টাকার চেক ইমাম উদ্দিনের হাতে তুলে দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এবারই ভ্যাটের পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম পুরস্কারের দাবিদার কাউকে পাওয়া গেল। গত জানুয়ারি মাস থেকে ভ্যাটের লটারিতে এর আগে কেউ প্রথম পুরস্কারের দাবি নিয়ে আসেনি।

গত জানুয়ারি মাস থেকে প্রথমবারের মতো প্রতি মাসে ১০১ ভ্যাটদাতাকে এই ধরনের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথম বিজয়ী ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় বিজয়ী ৫ জন পান ২৫ হাজার টাকা করে। বাকি ৯৪ জনের পুরস্কারের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা। ইএফডি মেশিনের মাধ্যমে বেচাকেনাকে উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগ এ লটারির আয়োজন করছে।

ভ্যাট দিয়ে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বা ভ্যাটের মেশিন থেকে আপনি যে রসিদ পান, সেই রসিদের নম্বর ধরেই এই লটারি হয়। ইএফডি মেশিন বা ভ্যাটের মেশিন আছে, এমন দোকান থেকে পণ্য বা সেবা কিনলেই শুধু লটারির জন্য বিবেচনা করা হবে। কাঁচা বা হাতে লেখা রসিদ হলে হবে না। ভ্যাট মেশিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে রসিদ দেবে, সেই রসিদের নম্বর ধরেই লটারি হচ্ছে। প্রতি মাসের প্রথম থেকে শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত বেচাকেনার রসিদ দিয়ে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

সাধারণত প্রতি মাসের ৫ তারিখে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আর বিজয়ীদের ৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে পুরস্কারের অর্থের জন্য আবেদন করতে হয়। এরপর কুপন নম্বর মিলিয়ে দেখাসহ যাবতীয় যাচাই–বাছাই করা হয়। আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, স্বাক্ষর, ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), চালান নম্বর, ইস্যুর তারিখ দিতে হয়।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন