বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই প্রতিবেদন ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের জন্য ভূমিকা রেখে আসছিল। তবে এই সূচক থাকুক বা না থাকুক, বাংলাদেশকে নিজ দায়িত্বেই বিনিয়োগ সূচকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলোও করতে হবে। কাঠামোগত পদ্ধতি বের করে নিজস্ব সূচক তৈরি করতে হবে, যা বিশ্বের অনেক দেশ করে।

এই সূচকে আমাদের মান একটু একটু ভালো হচ্ছিল। ব্যবসা যাঁরা করবেন, তাঁরা অবশ্য সব খোঁজখবরই রাখেন। সূচকটি সবকিছু এক জায়গায় নিয়ে এসেছিল। এক জায়গা থেকেই মোটামুটি সব বোঝা যেত। অর্থাৎ একটা সূচক দেখে যেকোনো দেশ সম্পর্কে বোঝার উপায় ছিল। সার্বিক দিক বিবেচনায় নিলে বৃহৎ স্বার্থে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের যতগুলো ক্ষেত্র আছে, সব কটিতেই কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এমন নয় যে এই সূচকবিষয়ক প্রতিবেদন থাকার কারণেই ব্যবসার পরিবেশ এমনিতেই উন্নত হয়ে যাচ্ছিল।

যারা ব্যবসার পরিবেশের উন্নয়ন ঘটাতে চায়, তারা প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও করবে, না হলেও করবে। আর যারা করবে না, তারাও প্রকাশিত না হলেও ঘটাবে না, হলেও করবে না। উন্নয়নশীল দেশের কাতারে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ওঠানোর দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বের করা, না করায় কিছু যায় আসে না, বাংলাদেশ যদি নিজ দায়িত্বে ব্যবসায়ের পরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়ে ফেলে। সেটাই কাঙ্ক্ষিত।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন