বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বুধবার এই বিশ্ববঙ্গ সম্মেলন শুরু হয়।দুই দিনের এ সম্মেলনে ৪২টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শিল্পে বিনিয়োগসংক্রান্ত ১৩৭টি সমঝোতা চুক্তি বা এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়, যা বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ কারণে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনকে এক ঐতিহাসিক ’বিনিয়োগ উৎসব’ বলে অভিহিত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী বছর এই সম্মেলন হবে তিন দিনব্যাপী। আগামী বছরের ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। করোনার কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে এই সম্মেলন বন্ধ ছিল। পশ্চিম বাংলায় এ সম্মেলন শুরু হয় ২০১৫ সালে।

এদিকে বিপুল বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেলেও সেগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী। তিনি বলেন, সরকার বারবার বিনিয়োগ প্রস্তাবের কথা বলছে, কিন্তু এসব প্রস্তাবের কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তার কথা বলছে না। এবার সেটা রাজ্যবাসীকে বলুক।

তবে সম্মেলনে অংশ নিয়ে আদানি শিল্পগোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি ঘোষণা দেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান আগামী ১০ বছরে এই রাজ্যে ১০ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ করবে। এ ছাড়া ৮ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে এইচপিসিএল, ৫ হাজার কোটি রুপি করে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে জেএসডব্লিউ সংস্থা ও বেঙ্গল গ্যাস, দেড় হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ করবে ওএনজিসি, দেড় হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ করবে হিরাননান্দি শিল্পগোষ্ঠী, ১ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ করবে টেকনো ইন্ডিয়া গোষ্ঠী। এর বাইরে এ রাজ্যের বিভিন্ন শিল্পে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট, আইবিএম, কেএফডব্লিউ, টাটা, হিটাচি, গেইনওয়েল, বিগডাচম্যান ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা।

এবারের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশও পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহী। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ভারত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক সেমিনারে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আগামী ৫ বছরে বেড়ে ১ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়াবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদীর্ঘকালের। তাই দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণও দিন দিন বাড়ছে।’

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন