বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পাঠাও যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকস সেবা দিচ্ছে পাঠাও।

পাঠাও জানায়, গত এক বছরে তাদের কার্যক্রমের বিস্তৃতি ব্যাপকভাবে ঘটেছে। আর্থিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণ। পাঠাও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সেবাগ্রহণকারী গ্রাহকের সংখ্যা ৮০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। পাঠাওয়ের সেবা প্রদানে নিয়োজিত আছেন ৩ লাখ চালক ও ডেলিভারি এজেন্ট, প্রায় ৩০ হাজার ব্যবসায়ী ও ১০ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ।

পাঠাওয়ের নতুন সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, ‘আমরা এমন একটি কোম্পানি, যারা অসংখ্য ভোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দৈনিক উপার্জনকারীদের জীবনে পরিবর্তন এনেছি। সামনের দিনগুলোতে আমাদের জন্য রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে আমাদের দ্রুত এগোতে হবে। পাঠাওয়ের নেতৃত্ব পেয়ে আমি উচ্ছ্বসিত।’

সদ্য বিদায়ী সিইও হুসেইন মোহাম্মদ ইলিয়াস পাঠাও বোর্ডের পরিচালক হিসেবে থাকবেন। পাশাপাশি তিনি কোম্পানির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবেন। হুসেইন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, ‘পাঠাও প্রতিষ্ঠা আমার জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। ছয় বছর পর এখনই সময় নতুন নেতৃত্বের।’ পাঠাওকে এগিয়ে নিতে ফাহিমই যোগ্য বলে মনে করেন তিনি।

ফাহিম আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের মিডলবারি কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন। পাঠাওয়ে যোগদানের আগে তিনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান এসইএএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। এ ছাড়া তিনি রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড (আরবিএস) ও আমেরিকান সিকিউরিটিজের বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিউইয়র্কভিত্তিক বিখ্যাত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাক্সের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার হিসেবে কাজ করেছেন।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন