বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার বিবিসিএফইসির ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার আয়তনের দুটি হলে মেলায় অংশগ্রহণকারী সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কমপ্লেক্সের বাইরে রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল। এ ছাড়া রয়েছে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন।

মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো দেশীয় পোশাক, যন্ত্রপাতি, কার্পেট, সাজসজ্জার সামগ্রী, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাব, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার সরঞ্জাম, চামড়া, জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, খেলার পণ্য, স্যানিটারিওয়্যার, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য ইত্যাদি প্রদর্শন করছে।

প্রতিদিন মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এক ঘণ্টা বাড়তি সময়, অর্থাৎ রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। মেলায় প্রবেশে প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকার টিকিট কাটতে হবে। শিশুদের জন্য টিকিটের মূল্য ২০ টাকা। মেলায় দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে প্রতিদিন ৩০টি বিআরটিসি বাস ও অন্যান্য যাত্রীবাহী বাস চলাচল করবে। এ জন্য জনপ্রতি ৪০ টাকা ভাড়া গুনতে হবে। যাত্রীদের কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় নেমে সেখান থেকে রিকশাযোগে মেলা প্রাঙ্গণে যেতে হবে। ভাড়া ১০ টাকা।

দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তা দিতে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা যৌথভাবে আয়োজন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। পূর্বাচলের বিবিসিএফইসির পরিসর ছোট হওয়ায় মেলায় আগের চেয়ে কম প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ২০১৯ সালে শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলায় ১১০টি প্যাভিলিয়ন, ৮৩টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও স্টলসংখ্যা ছিল ৪১২টি। তবে এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল ও ১৫টি খাবারের দোকান রয়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন