default-image

পোশাকের ক্রয়াদেশ বহাল রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান চুক্তির ব্যাপারে দায়িত্বশীল হতে ব্র্যান্ড ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ দিতে আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। একই সঙ্গে তিনি প্রবাসী শ্রমিকদের চাকরি নিশ্চিত ও বাজার সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আইএলওকে এগিয়ে আবার অনুরোধ করেন। 

সুইজারল্যান্ডের জেনভায় আইএলও ভার্চ্যুয়াল গ্লোবাল শীর্ষ সম্মেলনের 'কোভিড -১৯: ওয়ার্কিং টুগেদার টু বিল্ড ব্যাক বেটার' শীর্ষক অধিবেশনে শ্রমমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় আজ বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটায় অংশ নিয়ে এই আহ্বান জানান শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। অধিবেশনটিতে কানাডা, জার্মানি, জাপান, কলোম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শ্রম মন্ত্রীরা অংশ নেন। শ্রম মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, করোনার সংকটে কারণে ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় পোশাক রপ্তানি অপ্রত্যাশিতভাবে কমে গেছে। অনেক মালিক কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। আবার অনেক প্রবাসী শ্রমিক তাদের চাকুরি হারিয়েছেন।

সংকট মোকাবেলায় চারটি বিষয়ের ওপর জোর দেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পোশাকের ক্রেতারা যেন ক্রয় আদেশ বাতিল না করে ও বিদ্যমান চুক্তির প্রতিদায়িত্বশীল হয় সে ব্যাপারে আইএলওর এগিয়ে আসা উচিত। করোনার সময়ে প্রবাসী শ্রমিকের চাকুরি নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে হবে। পণ্য রপ্তানিতে বাজার সুবিধা দিতে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। চলমান চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে আইএলও'র শততম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষণাপত্র এবং এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে সদস্য দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত।

করোনা মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা হিসেবে অর্থনৈতিক ও সমাজের বিভিন্ন খাতের মানুষকে সহযোগিতা করতে ১ হাজার ২১০ কোটি ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন।পোশাক শ্রমিকদের মজুরির জন্য ১০০ কোটি ডলারসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন