বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রকল্প অনুমোদনের আগে আজকের একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রবাসীরা দেশে অর্থ পাঠান। করোনার কারণে তাঁদের অনেকে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। এত দিন তাঁরা আমাদের দিয়েছেন। এবার আমরা তাঁদের দেব। যাঁরা চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন, তাঁদের শোভন চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।’

সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে সভার সিদ্ধান্ত অবহিত করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।
এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্পটির সিংহভাগ অর্থ, অর্থাৎ ৪২৫ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। গত ২৩ মার্চ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ–সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নাগাদ বাস্তবায়ন করবে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে পাওয়া তথ্যমতে, গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে মোট ৪ লাখ ৮ হাজার ৪০৮ জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে দুই লাখ কর্মীকে বাছাই করা হবে তাঁদের আগ্রহ, পারিবারিক অবস্থা, আর্থিক অবস্থা ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে। কর্মী বাছাইয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এর বাইরে আরও ২৩ হাজার ৫০০ কর্মীকে বাছাই করে তাঁদের সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে সনদ দেওয়া হবে।

প্রথম দফায় দুই লাখ কর্মীকে ৩২ জেলা থেকে বাছাই করা হবে। অভিবাসী–অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে বিবেচিত জেলাগুলো হলো ঢাকা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, জামালপুর, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা, বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, রাঙামাটি, কুমিল্লা, সিলেট ও সুনামগঞ্জ।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন