বাংলাদেশের রূপান্তরের সঙ্গী গ্রামীণফোন

তিন দশক আগের কথা। পরিবারের পুরুষ সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েছেন কাজের খোঁজে। বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তানদের বাস বাংলাদেশের কোনো প্রত্যন্ত গ্রামে। যোগাযোগের মাধ্যম চিঠি, তা-ও আসে বছরে এক-দুবার। সন্তানেরা বড় হয়, বাবাকে তারা চেনে না।

১৯৯৭ সালের পর অবস্থাটি বদলাতে শুরু করে। গ্রামে গ্রামে চালু হতে শুরু করে পল্লীফোন সেবা। অবস্থাটি ছিল এমন যে বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তান গঞ্জের পল্লীফোনের দোকানে নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত। ফোন এল সৌদি আরব অথবা কুয়েত থেকে। বহুদিন পর মা শুনলেন সন্তানের কণ্ঠ। স্ত্রী কথা বললেন স্বামীর সঙ্গে। সন্তানেরা অপর প্রান্তের ব্যক্তিটিকে বাবা বলে ডাকল।

এখন ২০২২ সাল। মানুষকে হেঁটে আর গঞ্জে যেতে হয় না। বাড়িতে বসেই সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা অথবা রাতে কথা বলা যায় বিশ্বের যেকোনো দেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে। শুধু ফোন নয়, করা যায় ভিডিও কল। মায়েরা সন্তানের মুখ দেখতে পারেন। বাবা দেখতে পারেন তাঁদের সন্তান হাঁটতে শিখেছে। কাজের খোঁজে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া নারীরাও প্রতিদিনই দেখতে পারেন দেশে রেখে যাওয়া সন্তানের মুখ।

শুধু মানুষে মানুষে যোগাযোগ নয়, রূপান্তর ঘটেছে সব দিকেই। পণ্য কেনাবেচা, বাজারের খোঁজ রাখার ক্ষেত্রে প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মুঠোফোন। ইন্টারনেট দূরের জেলায় ছড়িয়ে দিয়েছে আউটসোর্সিংয়ের কাজ। মুঠোফোনের এক ক্লিকেই বাসার দুয়ারে চলে আসছে যানবাহন। খাবার, মুদিপণ্য, মাছ, সবজি কিনতেও এখন বাজারে যেতে হয় না। এই করোনাকালে শিক্ষার মাধ্যম হয়ে উঠেছে মুঠোফোন।

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও সামাজিক এই রূপান্তরের সবচেয়ে বড় সঙ্গী মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ যাত্রা শুরু করা গ্রামীণফোন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে পল্লীফোন সেবা চালু হয়েছিল, যার মাধ্যমেই বিস্তৃতভাবে তৃণমূলে গিয়েছিল টেলিযোগাযোগ সেবা। আজ ২৫ বছর পর গ্রামে গ্রামে পৌঁছে গেছে দ্রুতগতির (ফোর-জি) ইন্টারনেট। মানুষের হাতে হাতে এখন স্মার্টফোন।

মুঠোফোন যেমন জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি এগিয়ে নিয়েছে অর্থনীতিকে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, স্থির মূল্যে দেশের প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকার জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) এখন টেলিযোগাযোগ খাতের অবদান প্রায় ৬ শতাংশ। দেশে মুঠোফোন গ্রাহক এখন ১৭ কোটি ৮৬ লাখের বেশি (একেকজনের একাধিক সিম)। মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সাড়ে ১২ কোটির বেশি মানুষ।

দেশের মোট মুঠোফোন গ্রাহকের প্রায় অর্ধেক (৮ কোটি ৩৩ লাখ) গ্রামীণফোন ব্যবহার করেন। গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক—এই চার অপারেটরের মধ্যে গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয়, মুনাফা ও লভ্যাংশ দেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে ব্যবসারত সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা করা হলে গ্রামীণফোনকে শীর্ষ স্থানেই রাখতে হবে।

শুরুর কথা

২০১৩ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) করা ‘গ্রামীণফোনের পারদর্শিতা মূল্যায়ন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ সালে টেলিযোগাযোগ সেবার দিক দিয়ে বিশ্বে পিছিয়ে থাকাদের মধ্যে ১৩ নম্বর দেশ ছিল বাংলাদেশ। এশিয়ায় বাংলাদেশ ছিল পেছনের দিক দিয়ে তিন নম্বর। তখন প্রতি ১০০ জন মানুষের বিপরীতে বাংলাদেশে টেলিফোন লাইন ছিল শূন্য দশমিক ৩টি। ৭০ শতাংশ টেলিফোন লাইন ছিল চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনায়। দেশের অন্য অঞ্চলে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে ছিল মাত্র একটি ফোন।

তখন সরকারি সংস্থা টেলিগ্রাফ অ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (টিঅ্যান্ডটি নামে পরিচিতি) গ্রাহক ছিল সাড়ে তিন লাখের মতো। একমাত্র মুঠোফোন অপারেটর সিটিসেলের গ্রাহক ছিল প্রায় ২০ হাজার।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মুঠোফোন সেবায় একচেটিয়া ব্যবসা ভেঙে দেওয়া, সেবাটি মানুষের হাতের নাগালে আনা ও টেলিযোগাযোগ সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে তখনকার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ১৯৯৬ সালে তিনটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়—গ্রামীণফোন, বর্তমান রবি ও বাংলালিংক। এদের মধ্যে সবার আগে সেবা চালু করে গ্রামীণফোন। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গণফোন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল কাদিরের উদ্যোগ এবং নরওয়ের টেলিনর ইনভেস্টের বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত হয় গ্রামীণফোন। ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে শুরু হয় গ্রামীণফোনের যাত্রা।

উদ্বোধনের দিন প্রথম কলটি হয় তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পল্লীফোনের উদ্যোক্তা লাইলি বেগমের।

মুঠোফোনকে গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তখন গ্রামীণ ব্যাংক পল্লীফোন (ভিলেজ পে ফোন বা ভিপিটি) কিনতে ঋণ দিত। গ্রাহকেরা সেই ফোন কিনে মানুষকে মিনিটপ্রতি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নিয়ে সেবা দিতেন। এর মাধ্যমে গ্রামে টেলিযোগাযোগ সেবা বিস্তৃত হয়। এডিবির প্রতিবেদন বলছে, ১৯৯৮ সালে পল্লীফোনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা ছিলেন ১৭৯ জন। ২০০৪ সালে তা ৯৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ২০১১ সালের একটি জরিপের তথ্য উল্লেখ করে এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, পল্লীফোনের একজন উদ্যোক্তা গড়ে মাসে ৮৩০ টাকা আয় করতেন, যা তাঁর মোট পারিবারিক আয়ের ১২ শতাংশ ছিল।

এখন মানুষের হাতে হাতে মুঠোফোন চলে আসায় পল্লীফোন সেবা আর নেই। তবে সেটা মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলেছিল, তা পাওয়া যায় এক উদ্যোক্তার বক্তব্যে। লাতিন আমেরিকান কাউন্সিল অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের একটি প্রকাশনায় প্রকাশিত নিবন্ধে সাভারের পল্লীফোন উদ্যোক্তা পারভীন বেগমকে উদ্ধৃত করা হয়। ২০০১ সালে তিনি বলেন, ‘মুঠোফোন আমার কাছে একটি গাভির মতো, যেটি আমাকে দিনে কয়েক দফা “দুধ”দেয়। আমাকে যা করতে হয় তা হলো, মুঠোফোনটিকে নিয়মিত চার্জ দেওয়া।...এর মাধ্যমে আমাদের গ্রাম বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।’

২০০০ সালের মার্চে বাংলাদেশে এসেছিলেন তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। তাঁর একটি মন্তব্যও লাতিন আমেরিকান কাউন্সিল অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের নিবন্ধটিতে উদ্ধৃত করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমি আমেরিকানদের বলতে চাই, বাংলাদেশিদের ওপর বিনিয়োগ করা লাভজনক। মুঠোফোন কিনতে ঋণ দিয়ে এখানে পুরো গ্রামকে তথ্যযুগের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমি চাই, পৃথিবীর মানুষ এই গল্প জানুক।’

এডিবি বলছে, পল্লীফোনের এই মডেল পরে কম্বোডিয়া, হাইতি, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা ও উগান্ডায় অনুসরণ করা হয়।

বিনিয়োগকারী, এখন-তখন

১৯৯৬ সালে গ্রামীণফোন যখন যাত্রা শুরু করে, তখন সেটি ছিল একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। টেলিনর ইনভেস্টের (এখন টেলিনর মোবাইল কমিউনিকেশনস) হাতে ৫১, গ্রামীণ টেলিকমের হাতে ৩৫, মারুবেনি করপোরেশনের হাতে সাড়ে ৯ ও গণফোন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের হাতে গ্রামীণফোনের সাড়ে ৪ শতাংশ শেয়ার ছিল। ২০০৪ সালে গণফোন ও মারুবেনি তাদের শেয়ার বিক্রি করে দেয় টেলিনর ও গ্রামীণ টেলিকমের কাছে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত হয় গ্রামীণফোন। বর্তমানে গ্রামীণফোনের শেয়ারের ৫৫ দশমিক ৮০ শতাংশের মালিকানা টেলিনরের হাতে। ৩৪ দশমিক ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিক গ্রামীণ টেলিকম। এর বাইরে গ্রামীণফোনের কর্মী ও সাধারণ মানুষের হাতে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার রয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট বলছে, ২০২০ সালে গ্রামীণফোন ২৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। মানে হলো, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে এর বিনিয়োগকারীরা পেয়েছেন সাড়ে ২৭ টাকা।

গ্রামীণফোনে যে প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করেছিল, সেই নরওয়ের টেলিনর মোবাইল কমিউনিকেশনসের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান ইয়র্গেন সি আরেন্টজ রোস্ট্রাপ ১৪ মার্চ প্রথম আলোকে বলেছেন, বাংলাদেশ ও গ্রামীণফোন তাঁদের জন্য বিশেষ কিছু। গ্রামীণফোন টেলিনরের অগ্রসর ও মুনাফার দিক দিয়ে শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির একটি।

২৫ বছরে এখন পর্যন্ত গ্রামীণফোন বিনিয়োগ করেছে ৪১ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

৯৫,০০০ কোটি

যাত্রা শুরুর পর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণফোন সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে ৯৫ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। ১৯৯৬ সালে তারা দিয়েছিল ১০ কোটি টাকা, ২০২১ সালে দেয় ১০ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করা করের অর্থ, আয়কর, তরঙ্গসহ নানা ফি বাবদ টাকা।

সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে গত ২৫ বছরের মিথস্ক্রিয়া কেমন ছিল জানতে চাইলে গ্রামীণফোনের চেয়ারম্যান ইয়র্গেন বলেন, ‘নিয়ন্ত্রকেরা তাদের কাজের বিষয়ে খুবই তৎপর। মাঝেমধ্যে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার দরকার হয়। সব বিষয়ে যে আমরা একমত হই, তা নয়। তবে আমরা আলোচনা করা, কথা বলার সুযোগ সব সময় পেয়েছি।’

এদিকে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার মান নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। গ্রামীণফোনকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে এবং হচ্ছে। এমনকি টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্তাব্যক্তিরাও এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সময়। বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার গ্রামীণফোনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে গ্রামীণফোনকে অভিনন্দন জানান। আবার সেবার মান বাড়ানোর তাগিদও দেন। অবশ্য গ্রামীণফোন বলে আসছে, তারা মান উন্নয়নের চেষ্টা করছে। তবে শুধু অপারেটরের ওপর এটি নির্ভর করে না।

৭ থেকে ১ টাকার নিচে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে ১৯৯৭ সালের পত্রিকা ঘেঁটে ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামীণফোন শুরুতে সিম ও ফোনের সর্বনিম্ন দাম ধরেছিল ১৮ হাজার ১০০ টাকা। এর সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জামানত দিতে হতো। এর আগে অবশ্য সিটিসেলের একেকটি সেট ছিল ৭৫ হাজার টাকার মতো। তখন প্রতি মিনিটের কলচার্জ ছিল ২৭ টাকা। ইনকামিং কলেও টাকা দিতে হতো। গ্রামীণফোন এসে কলচার্জ ৬ টাকা ৯০ পয়সা নির্ধারণ করে (ভ্যাটসহ)। এখন অবশ্য কলচার্জ প্রতি মিনিট ১ টাকার কম। দেড় হাজার টাকায়ও বাজারে মুঠোফোন সেট পাওয়া যায়। সিমের দামও অনেক কম।

মানুষের তখন দরকার ছিল কথা বলার জন্য নেটওয়ার্ক। এখন দরকার উচ্চগতির ইন্টারনেট ও উন্নত সেবা। যেমন মধুপুর গড়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর তরুণেরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন। এ নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো প্রথম পাতায় ‘গ্রামে বসে সুবীরের ডলার আয়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু তরুণদের ইন্টারনেট নিয়ে ভুগতে হতো। তাঁরা উচ্চগতির ইন্টারনেট চেয়েছিলেন।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান প্রতিবেদনটি দেখে সেখানে অস্থায়ী টাওয়ার বসানোর ব্যবস্থা করেন। ১২ মার্চ নিজে মধুপুরে যান এবং এক সমাবেশে সেখানে স্থায়ী টাওয়ার বসানোর ঘোষণা দেন।

সেই ঘটনার কথা উল্লেখ করে গতকাল রা জধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইয়াসির আজমান বলেন, রাত দেড়টায় টাওয়ারটি যখন সক্রিয় হয়, তখন মধুপুরের মানুষ আনন্দে নাচানাচি শুরু করে। এটাই সংযোগের (কানেকটিভিটি) শক্তি।

আসলেই তা-ই, একটি মুঠোফোন এখন মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে।