বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, এ বছর রূপগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ১৬২টি স্টল আছে। এসব স্টলে প্রতিদিন সহস্রাধিক বিক্রয়কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া প্রতিদিন পাঁচ হাজারের বেশি দর্শনার্থী মেলায় ঘুরতে আসছেন। তাঁদের খাবারের ব্যবস্থা করতে মেলার ভেতরে পর্যটন করপোরেশনের ক্যানটিন ছাড়াও আছে ১৫টি খাবারের স্টল। আর মেলার প্রাঙ্গণের বাইরে আছে স্থানীয় ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠিত কিছু খাবারের স্টল।

স্টলের বিক্রয়কর্মীরা সাধারণত সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত খাবারের জন্য বাইরে থেকে খাবার আনান। প্রথম তিন দিন এসব খাবার মেলার ভেতরে নিতে সমস্যা না হলেও, মঙ্গলবার থেকে তা নিয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না স্থানীয় একটি পক্ষ।
বাণিজ্য মেলার আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বলছে, বাইরের খাবার ভেতরে নিতে তাদের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা নেই। এ বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও মেলা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাইরের খাবার ভেতরে নেওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আছে কি না, আমার তা জানা নেই। আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠানের সময়েও বাইরে থেকে খাবার আনাতেন অনেকে।’

বাণিজ্য মেলায় খাবার সরবরাহ করা একাধিক রেস্তোরাঁর মালিক অভিযোগ করেন, ‘আমাদের পরিবর্তে স্থানীয় ব্যক্তিদের খাবারের স্টল থেকে যেন খাবার কেনা হয়, সে জন্য এই বাধা দেওয়া হচ্ছে। ১২ বছর ধরে বাণিজ্য মেলায় আমরা খাবার সরবরাহ করে আসছি, কিন্তু এর আগে কখনো এমন হয়নি।’
রেস্তোরাঁর মালিকদের অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ভূঁইয়ার নির্দেশে এই বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে মেলার স্থান দূরবর্তী হওয়ায় নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা ভেবে তাঁরা কেউ নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

খাবার প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন মেলার ফটকের ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠান মীর ব্রাদার্সের মালিক মীর শহীদুল আলম। বুধবার তিনি বলেন, ‘এখানকার (রূপগঞ্জ) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ছাত্রলীগ-যুবলীগের বেশ কিছু কর্মীকে মেলার ফটকে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই খাবার প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন। তবে চেয়ারম্যানের নির্দেশে এমন বাধা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা বলতে পারব না। আমি এ বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। সবার সঙ্গে কথা বলে আজকের মধ্যে সমাধান করা হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় রূপগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ভূঁইয়াকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন