বিশ্বের সবখানেই মূল্যস্ফীতি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আবিদ হোসেন জানান, মসলা থেকে শুরু করে মাংস, মধু, খেজুর—সবকিছুর দামই বাড়তি। অর্থাৎ ইফতার ও সাহ্‌রিতে প্রয়োজনীয় সবকিছুর দামই ছিল বাড়তি। সে জন্য এ বছর মানুষ বেশি বেশি পণ্য কিনছে না।

অন্যদিকে চ্যারিটি ইসলামিক রিলিফ ইউকে বিবিসিকে বলেছে, এই রমজানে ব্রিটেনের অনেক পরিবার পারিবারিক ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেয়েছে। জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা। ফলে যুক্তরাজ্যের খাদ্য ব্যাংকের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে তারা। এ বছরের রমজান ছিল যুক্তরাজ্যের চ্যারিটি বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্মরণকালের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়।

লিডসের গিভ আ গিফট ঠিক সেরকম একটি প্রতিষ্ঠান। শেষ রমজানের দিন গতকাল তারা লিডস শহরে ইফতারের আয়োজন করেছিল। বাস্তবতা এ রকম যে এই ইফতার সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হয়েছে তাদের, অর্থাৎ যাদের সেই প্রয়োজনীয়তা আছে, তাদের জন্য।

গিভ আ গিফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিফাত মালিক বিবিসিকে বলেন, সাত বছর ধরে তাঁরা এই দাতব্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহামারি শুরুর পর তাঁরা একধরনের পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। সেটা হলো, এখন ব্রিটেনে জন্মগ্রহণ করা মানুষও সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর করছেন, যাঁরা আগে কখনো সহায়তার জন্য দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেননি।

সময় কখনো ভালো যায় আবার কখনো খারাপ, এটাই পৃথিবীর ধর্ম। কিন্তু এবার আবিদ ও রিফাত মানুষের ব্যয় হ্রাসের প্রবণতা দেখে বলছেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের মনে একধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে, যে উদ্বেগ আগে কখনো তাঁদের মনে আসেনি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন