বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এনবিআর প্রতি মাসে লটারির মাধ্যমে ১০১ ভ্যাটদাতাকে এই পুরস্কার দেয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা ও তৃতীয় বিজয়ী ৫ জন ২৫ হাজার টাকা করে পান। বাকি ৯৪ জনকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) বা ভ্যাটযন্ত্রের মাধ্যমে বেচাকেনা উৎসাহিত করতে এনবিআরের ভ্যাট বিভাগ এই লটারির আয়োজন করে।

বিজয়ীদের চলতি মাসের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে হবে। এরপর কুপন নম্বর মিলিয়ে দেখাসহ যাবতীয় তথ্য যাচাই–বাছাই করা হবে।

আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, সই, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), চালান নম্বর, ইস্যুর তারিখ থাকতে হবে।

লটারি অনুষ্ঠানে এনবিআরের সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন) আবদুল মান্নান শিকদার জানান, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে ইএফডি তথা ভ্যাটযন্ত্রের মাধ্যমে ৪০৫ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকার পণ্য বা সেবা বেচাকেনা হয়েছে। এর বিপরীতে সরকার ২৯ কোটি ৩১ হাজার ৭৪ হাজার টাকা ভ্যাট পেয়েছে।

মান্নান শিকদার জানান, রোজার কারণে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বেচাকেনা বেড়েছে। আবার ঈদের বেচাকেনাও চলেছে। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ইএফডি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকার ভ্যাট সংগ্রহ হয়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন