বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নিয়ে বারে মদ ও মদজাতীয় দ্রব্য এবং রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন সেবা প্রদান করে।

জানতে চাইলে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান প্রথম আলোকে বলেন, কাঁচা চালান দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়েছে। তাই সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ে মামলা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আরও বৃহত্তর তদন্ত করা হবে।
জানা গেছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরে এমন অভিযোগ করেন যে প্রতিষ্ঠানটি সেবা বিক্রির প্রকৃত তথ্য গোপন করে গ্রাহকদের চালান না দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল গত ১৯ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে প্রয়োজনীয় দলিল দেখাতে ব্যর্থ হন বারটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এরপর বিভিন্ন কাগজপত্র ও কম্পিউটারে রক্ষিত তথ্য–উপাত্ত জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তথ্য–উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে নানা ধরনের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়।

ভ্যাট গোয়েন্দাদের তদন্ত অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ২০ মাসে মোট ৭৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৮ টাকা, সম্পূরক শুল্ক বাবদ ৮৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭০৮ টাকা, সুদ বাবদ ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩২১ টাকাসহ মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ ১৮ হাজার ৭৪৭ টাকা ফাঁকি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বারের বিলে যেকোনো খাবারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ২০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক ধরে হিসাব করতে হয়।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন