বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিটিএমএ সভাপতি বলেন, ‘আমরা মূলত আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে তুলা আমদানি করে থাকি। ফিডার জাহাজের সংকট রয়েছে। সে কারণে জাহাজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের কনটেইনার পরিবহনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। আবার চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার খালাসেও বাড়তি সময় লেগে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফিডার জাহাজের কারণে তুলাবাহী কনটেইনার বিভিন্ন বন্দরে পড়ে আছে। এমন ১০০টি অভিযোগ আমাদের কাছে রয়েছে।’

বিকল্প হিসেবে ভারত থেকে তুলা আমদানিতেও নানা সমস্যা হচ্ছে বলে জানালেন মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, ভারতে তুলার উৎপাদন ৪ শতাংশ পর্যন্ত কম হতে পারে। তা ছাড়া ব্যবসায়ীরা বর্তমানে তুলার দাম পাউন্ডপ্রতি ১০ সেন্ট বাড়িয়েছে।

দেশের বস্ত্রকলগুলোতে বর্তমানে সারা বছর ৮০ লাখ বেল তুলার প্রয়োজন হয়। চলতি বছর সেটি বেড়ে ৯০ লাখ বেল হতে পারে। সব মিলিয়ে বর্তমানে স্পিনিং মিলগুলোতে ১ কোটি ৩০ লাখ স্পিন্ডল রয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে সেটি দেড় কোটিতে পৌঁছাবে। এসব তথ্য জানিয়ে বিটিএমএ সভাপতি বলেন, তুলার মতো একইভাবে কৃত্রিম তন্তুর আমদানি সহজ করতে হবে। কারণ, আরামদায়ক পোশাকের জন্য কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বাড়ছে। যতক্ষণ সংযোগশিল্প শক্তিশালী না হবে, ততক্ষণ রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা যাবে না। তাই গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের পাশাপাশি নীতিসহায়তা দাবি করেন তিনি।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন