বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন সময়ে জারি করা সরকার থেকে ব্যক্তি (জিটুপি) পেমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হয়। এখন অর্থ বিভাগের জিটুপি পেমেন্ট পদ্ধতির সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বিত ডিজিটাল পদ্ধতির সমন্বয় সাধন করে উপবৃত্তি বিতরণ করা হবে।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শুধু শিওর ক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা গ্রহণের বাধ্যবাধকতা ছিল। পরে ডাক বিভাগের নগদ এ সেবায় যুক্ত হয়। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকেরা নিজেদের হাতে থাকা অথবা পছন্দের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা গ্রহণ করতে পারছিলেন না। তাঁদের নতুন হিসাব খুলতে হতো। এর ফলে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা পাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ জন্য কোন সেবার মাধ্যমে অভিভাবকেরা উপবৃত্তির টাকা গ্রহণ করবেন, তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

এখন প্রাক্-প্রাথমিকের প্রতি শিক্ষার্থীকে মাসিক ৭৫ টাকা করে উপবৃত্তি দেবে সরকার। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী মাসিক ১৫০ টাকা এবং এক পরিবারে দুজন শিক্ষার্থী থাকলে দুজন মিলে পাবে ৩০০ টাকা। এ ছাড়া কোনো পরিবারে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী থাকলে উপবৃত্তি পাবে মাসে ২০০ টাকা। আর দুজন শিক্ষার্থী থাকলে উপবৃত্তি মিলবে মাসে ৪০০ টাকা।

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমাতে এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ধরে রাখার জন্য ১৯৯৯ সালে উপবৃত্তি চালু করে সরকার। এখন ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বিকাশ, রকেট, এমক্যাশ, উপায়, ট্যাপ, মাই ক্যাশ, টেলিক্যাশ, ওকে ওয়ালেট ও ইসলামিক ওয়ালেট। এর বাইরে ডাক বিভাগের নগদ বড় আকারে সেবা দিচ্ছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন