বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ধরুন, একটি পরিবারের তিনজন রেস্তোরাঁয় খেতে এলেন। তাঁদের দুজনের টিকা আছে। কিন্তু একজনের টিকা নেই। তখন আমি কি ওই একজনকে রেস্তোরাঁয় ঢুকতে দেব না? শ্রমজীবী মানুষ যাঁরা সারাক্ষণ রাস্তায় থাকেন, তাঁরা কীভাবে টিকার সনদ সংরক্ষণ করবেন? দিন শেষে খড়্গটা আমাদের ওপর এসে পড়ছে। সরকার মশা মারতে কামান দাগায় আমাদের ওপর। এসব না করে সব রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হোক।

আমাদের মনে হয়, একটা তৃতীয় পক্ষকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিকার সনদ দেখানোর বাধ্যবাধকতায় ফুডপান্ডা, পাঠাও ফুডসহ অন্য অনলাইনভিত্তিক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে ব্যবসা করার সুযোগ পাবে। এখন রেস্তোরাঁ ব্যবসা বন্ধ করতে পারলে তাদের ব্যবসা বাড়বে। এমনিতেই নানাভাবে আমাদের ব্যবসার অবস্থা শোচনীয়। নতুন বিধিনিষেধে রেস্তোরাঁ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিষয় নিয়ে আমরা সংগঠনের নেতারা নিজেরা আলোচনা করব। আগামী মঙ্গলবার আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে জরুরি সভা ডেকেছি। সেখানে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে। রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গে যাঁরা জড়িত, যাঁদের জন্মনিবন্ধন আছে, তাঁদের টিকার আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাচ্ছি। রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের করোনা মোকাবিলায় সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবেও ঘোষণা দেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন অমিক্রনের প্রাদুর্ভাবের পর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে ১১টি বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।

আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন