আদালত ওই দম্পতির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শামীম আহমেদ মেহেদী। ইভ্যালির গ্রাহক ফরহাদ হোসেনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন। ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোর্শেদ আহমেদ খান।

পরে আইনজীবী শামীম আহমেদ মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, রাসেল ও শামীমা পৃথক দুটি আবেদন করেন। পক্ষভুক্ত হতে শামীমার করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। আর রাসেলের বাকি ৪০ শতাংশ (চার লাখ) শেয়ার হস্তান্তরে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানির কমিশনারের প্রতি নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হয়। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেছেন।

ইভ্যালিতে পণ্য অর্ডার দিয়ে অর্থ পরিশোধের পর পণ্য ও অর্থ ফেরত না পেয়ে মো. ফরহাদ হোসেন নামের ইভ্যালির এক গ্রাহক গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্ট আবেদন করেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৮ অক্টোবর আদালত ইভ্যালি ব্যবস্থাপনায় পাঁচ সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেন। এরপর ইভ্যালির সাতটি গাড়ি নিলামের প্রক্রিয়া পরিচালনাসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ একটি আবেদন করে। শুনানি নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রাসেল ও তাঁর স্ত্রী, তাঁদের সন্তান, তাঁদের মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্য এবং ইভ্যালির ভবন মালিকের ব্যাংক (ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক) হিসাব কেন জব্দ করা হবে না, এ বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের কারণ দর্শাতে বলেন। তারপর রাসেলের শ্বশুর, শাশুড়ি ও আত্মীয় আদালতে উপস্থিত হয়ে রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমার শেয়ার নেওয়ার মৌখিক ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে ১৭ ফেব্রুযারি হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন