default-image

চীন থেকে আসা কনটেইনারটিতে থাকার কথা ছিল পানির পাম্প। চালানটিতে পানির পাম্প আছে কি তা দেখতে কনটেইনার খোলেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তবে সেখানে পাওয়া যায় সাবান, শ্যাম্পু, চুলের জেল ও তেলসহ প্রসাধন সামগ্রী।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দর চত্বরে দুটি কনটেইনার খুলে এই চিত্র পান কাস্টমস কর্মকর্তারা। আজ বুধবার দুপুরে প্রসাধন সামগ্রীর তালিকা যাচাই করে কাস্টমস কর্মকর্তারা দেখেন, চালানটিতে এক কোটি ২৯ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেছেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ঢাকার চম্পা টলি লেনের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অনলি ওয়ান ইন্টারন্যাশনাল এই চালান আমদানি করে। আমদানিকারক যে নথিপত্র জমা দেন তাতে ২৩ হাজার কেজি ওজনের দুই হাজার পিস পানির পাম্প থাকার কথা ছিল। তবে সেখানে পানির পাম্প পাওয়া গেছে ২০২ কেজি ওজনের ৪৮ পিস পানির পাম্প। এর সঙ্গে প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া গেছে ৩৬ হাজার ৯৬৫ কেজি।

কাস্টমস এর উপকমিশনার নুরউদ্দিন মিলন আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, পানির পাম্পের শুল্কহার কম। প্রসাধন সামগ্রীর শুল্কহার বেশি। শুল্ক ফাঁকি দিতেই কম শুল্কহারের পণ্য ঘোষণা দিয়ে বেশি শুল্কহারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন