বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মঙ্গলবারও কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে দিন শেষে এটির শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৮৬ টাকায়। গত ২৩ ডিসেম্বরও ডিএসইতে বিএসসির শেয়ারের দাম ছিল সাড়ে ৪৯ টাকা। কোম্পানিটির শেয়ারের দামের বড় ধরনের এ উত্থানে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের তথ্য।

গত ২৬ ডিসেম্বর কোম্পানিটি তাদের চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে প্রথম প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৩৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৪৮ শতাংশ বেশি। বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাহাজের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানির আয়ে বড় ধরনের এ উত্থান হয়েছে।

ইপিএসের বড় উত্থানের সংবাদকে কেন্দ্র করেই ২৬ ডিসেম্বর থেকে একটানা বাড়ছে এ শেয়ারের দাম। লেনদেনেও উঠে এসেছে শীর্ষ ১০-এর তালিকায়। সর্বশেষ গতকালও কোম্পানিটি ঢাকার বাজারে লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এদিন বিএসসির ৬৯ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ারের হাতবদল হয়। আর প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭ টাকা ৮০ পয়সা।

বিএসসির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির জাহাজভাড়া বাবদ আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এ সময়ে জাহাজভাড়া বাবদ কোম্পানিটি আয় করেছে ৯৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ খাতে আয় ছিল ৪৯ কোটি ৩১ লাখ টাকার কিছু বেশি। একইভাবে সার্ভিস চার্জ বা সেবা মাশুল বাবদ আয় বেড়েছে তিন গুণের বেশি। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে এ বাবদ কোম্পানিটি আয় করেছে ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আর আগের বছরের একই সময়ে এ খাতে আয় ছিল ৬ কোটি ১৩ লাখ টাকার মতো।

আয় বাড়ার এ খবরে সরকারি এই শিপিং কোম্পানির শেয়ারের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে। ২০২০ সালের মার্চেও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ৩৩ টাকা। সেই দাম দুই বছরের কম সময়ের ব্যবধানে প্রায় ৩ গুণ বেড়ে ৯০ টাকা ছুঁই ছুঁই করছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন