বিদেশ অর্থ পাচার নিয়ে অনুষ্ঠানে এক প্রবাসীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে কয়েকটি দেশ আছে, তারা এগুলো অ্যালাউ করে। এর
মধ্যে ইউএই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) একটি। অন্যান্য দেশও আছে। এটা শুধু বাংলাদেশ থেকে যায় না, অন্যান্য দেশ থেকেও তাদের ওখানে অর্থ আসে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নানাভাবে হুন্ডি (টাকা পাচার) যে হয় না, তা বলা যাবে না। কিন্তু আমরা একটি আশা নিয়ে আছি। সে আশাটা বড় আশা। আশাটা হচ্ছে, টাকা যেগুলো এখন বাইরে যাচ্ছে, এর সব আবার দেশে আসবে। বিদেশে টাকা রাখলে (ব্যাংকে) ২ শতাংশ সেবা মাশুল দেওয়া লাগে। আমরা এমনভাবে সুবিধা দেব, সব টাকা দেশে ফিরে আসবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের বৈধ পথে দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর অনুরোধ করেন। এতে প্রবাসীরা উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তারা সহযোগী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

করোনার কারণে ২০১৯ এ ২০২০ সালে প্রবাসীদের সম্মাননা দেওয়ার এ অনুষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ কারণে এ বছর একসঙ্গে ২০১৯ ও ২০২০ সালের রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তি পর্যায়ে সাধারণ পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী শ্রেণিতে ৫৩ জনকে ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণকারী এক্সচেঞ্জ হাউস ও ব্যাংক শ্রেণিতে ১৪ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন