বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, যমুনা ব্যাংকের চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখায় সানোয়ারা বেগমের তিন প্রতিষ্ঠান ইউনিপ্যাক সানোয়ারা, সানোয়ারা ডেইরি ফুডস ও সানোয়ারা ডেইরি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নামে ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়। সে অনুযায়ী বিদেশ থেকে দেশে পণ্য এলেও প্রতিষ্ঠানগুলো আর ঋণপত্রের দায় শোধ করেনি। ফলে ঋণপত্রের ঋণ ফোর্সড ঋণে পরিণত হয়। পরে তিন প্রতিষ্ঠানই খেলাপি হয়ে পড়ে। ব্যাংক থেকে দফায় দফায় যোগাযোগের পরও প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পরিশোধ করা হয়নি। এ জন্য ব্যাংক আদালতের আশ্রয় নেয়। প্রতিষ্ঠান তিনটির কাছে সুদ ছাড়া ব্যাংকের পাওনা ৩২ কোটি টাকা। তবে সুদসহ পাওনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে যমুনা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক কাজী শামসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ঋণ আদায় না হওয়ায় আমরা আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। আর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছে।’

একসময় ব্যাংকগুলোর ব্যবসার জন্য চট্টগ্রাম খুব আকর্ষণীয় জায়গা ছিল। তবে ভোগ্যপণ্য ও জাহাজ খাতের ব্যবসায়ীদের কারণে চট্টগ্রামবিমুখ হয়ে পড়েছে অনেক ব্যাংক। কারণ, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সব ব্যাংকের বড় অঙ্কের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন