default-image

চামড়ার দাম নিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, চামড়ার বিষয়টাও সরকার দেখবে? চামড়া শিল্প মালিকেরা কত দামে নিবে, কত দামে বিক্রি করবে, এটাও কি দেখব? পৃথিবীতে এটা হতে পারে কোনো দিন?

ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আজ বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এ সময় মুস্তফা কামাল বলেন, চামড়ার বাজার মূল্য আমাদের দেশে নেই। অন্য অনেক পণ্যে আমরা মূল্য ঠিক করে দিই। চামড়া অতি প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পড়ে নাই বলে মূল্য ঠিক করে দেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে ঠিক করে দেওয়া হবে।

এ সময় একজন সাংবাদিক জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মূল্য ঠিক করে দিয়েছিল। তখন অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ সিন্ডিকেট করে থাকে, তাহলে বাণিজ্যমন্ত্রী আইনি প্রক্রিয়ায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবেন।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলেন, যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, তাদের বন্ধ করে দিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠান ক্যানসারের মতো অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও খারাপ করে ফেলছে। তাই এদের টিকিয়ে রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। পিপলস লিজিংয়ের মতো এসব প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডে ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস সময়মতো গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না।

সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, লিজিং প্রতিষ্ঠানগুলো যাদের থেকে টাকা পায়, তা তুলতে কষ্ট হয়। কারণ টাকা চাইলেই ঋণ গ্রহীতারা আদালতে চলে যায়, রিট করে। আমরা এসব আইনের বিচ্যুতি দুর করতে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের মামলা দেখাশোনার জন্য আদালতে আলাদা বেঞ্চ করব। ঋণ খেলাপিরও অনেক মামলা থাকে। আদালতে বেঞ্চ বাড়ানো হবে। এখানেও ব্যাংক খাতের মতো এক্সিট পলিসি করা হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যাংকের মতো সুযোগ পাবে।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ৩ থেকে ৪ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের নিয়ে আমাদের সন্দেহ হয়। তাদের থেকে ব্যবসায়িক কারণে টাকা নিয়ে অন্য খাতে ব্যবহার হয়েছে। সুস্পষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই। যাদের সন্দেহ করা হচ্ছে, তাদের নিয়ে নিরীক্ষা হবে। এরপরই ব্যবস্থা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0