বিজ্ঞাপন

এ সময় ইআরএফের সাবেক সভাপতি জাকারিয়া কাজল বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আমলা নয় মানুষ হও। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে মানুষ নয়, আমলারা দানব হিসেবে তৈরি হচ্ছেন। এর জন্য তিনি জনপ্রতিনিধিদের দায়ী করেন। জাকারিয়া কাজল বলেন, এখন জনপ্রতিনিধিরা আমলাদের রক্ষার কাজ করছেন। এখন আমলারা জনপ্রতিনিধিদের নিয়ন্ত্রণ করছেন।

ইআরএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, রোজিনা ইসলামের প্রতিবেদনের কারণে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁরাই ষড়যন্ত্র করেছেন। সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে যেসব কালো আইন রয়েছে, সেসব বাতিলের দাবি জানান তিনি।

ইআরএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান বলেন, প্রথম আলো ও রোজিনা ইসলামকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই অন্যদেরও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেটিই করা হয়েছে। সাংবাদিকদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য সবাইকে এক হওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন, কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রোজিনা ইসলামকে ফাঁসিয়েছেন। যাঁরা রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও নির্যাতন করেছেন, তাঁদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। একজন সরকারি কর্মকর্তা একজন নাগরিককে কীভাবে হেনস্তা করেন? এটা কোন ধরনের সভ্যতা? সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য সব কালো আইন বাতিল করতে হবে।

ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নামে মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। অফিশিয়াল সিক্রেটস আইন বাতিল করতে হবে। রোজিনা ইসলামের মুক্তি দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ইআরএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান। তিনি বলেন, আমরা রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি। এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ইআরএফের সাবেক সভাপতি মনোয়ার হোসেন, শামসুল হক জাহিদ, সুলতান মাহমুদ ও খাজা মাঈনুদ্দিন।

আজকের সমাবেশে চারজন অর্থনীতিবিদ সংহতি প্রকাশ করেন। তাঁরা হলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন