default-image

অর্থনীতির জীবনীশক্তি হচ্ছে সিএমএসএমই খাত। দেশে প্রতি ১০ জনের মধ্যে অন্তত ৭ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে এই খাত। করোনার প্রভাবে খাতটি বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেক ছোট উদ্যোক্তা ব্যবসায়ে মার খেয়েছেন। সংগত কারণেই চাকরি হারিয়েছেন অনেকে। সামান্য ঋণের ছোঁয়াতে তাঁরা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

তাঁদের জন্য সরকার ঠিকই বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছিল ঋণ বিতরণে। ব্যাংকগুলো কেমন যেন সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছিল না। শুরু থেকেই আমরা বলে আসছিলাম যে ঋণ বিতরণপ্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। যা হোক, সরাসরি এনজিওদের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা একটি ভালো উপায়।

শেষ পর্যন্ত এটা হতে যাচ্ছে শুনে ভালো লাগছে। যতটুকু শুনেছি, বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ দেবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে। তারা ঋণ দেবে এনজিওগুলোকে। এরপর এনজিওগুলো দেবে গ্রাহকদের।

বিজ্ঞাপন

এখানে বেশ কয়েকটা ধাপ দেখা যাচ্ছে। ব্যাংকের ধাপটা কমানো গেলেই ভালো হতো। সন্দেহ হচ্ছে, আবার না ব্যাংকের প্যাঁচে ভোগান্তিতে পড়েন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

ভালো দিক যে এনজিওগুলোকে টাকা দিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে বিষয়টি তদারকির মধ্যে রাখা। নইলে এ দফায়ও প্রণোদনা প্যাকেজ গঠনের উদ্দেশ্য সফল হবে না।

আমার কথা হচ্ছে, যেভাবেই হোক না কেন সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের হাতে ঋণটা দ্রুততম সময়ে যেতে হবে। এতে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোটা ত্বরান্বিত হবে।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন