default-image

চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ হতে পারে বলে মনে করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কিছুটা কমিয়ে এনেছে এই দাতা সংস্থা।

উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলন করেছিল, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। এই পূর্বাভাস হিসাব করার সময় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বিবেচনা করা হয়নি।

আজ বুধবার প্রকাশিত এডিবির ‘এডিবি ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০২১’-এ এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে অনলাইনে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে এডিবির ঢাকা কার্যালয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিবির কর্মকর্তা সুন চাং হয়।

এডিবি মনে করেন, চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি কত হবে, তা নির্ভর করবে কীভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম কেমন চলছে, এটিও অর্থনীতির সামনের দিকে যাওয়ার সূচক হিসেবে কাজ করবে। এডিবি আরও বলছে, আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সম্পর্কে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮-৯ মাসের তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রাক্কলন করেছিল। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন দেওয়া হয়। চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এগুলো অবশ্যই প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলবে। এ কারণে আমাদের প্রাথমিক প্রাক্কলনের চেয়ে প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে আসতে পারে। তবে ৫ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি বেশ ভালো।

টিকা দেওয়ার মাধ্যমে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করে এডিবি। এ জন্য বাংলাদেশকে ৯৪ কোটি ডলার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনা চলছে বলে জানায় এডিবি। এ বিষয়ে মনমোহন প্রকাশ বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার জন্য শুধু সেরাম ইনস্টিটিউটের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বিকল্প উৎস খোঁজা উচিত। কোরিয়া ও থাইল্যান্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা বানায়। এ ছাড়া স্পুতনিক ও সিনোভ্যাক্স নিয়েও আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এ মুহূর্তে মূল চ্যালেঞ্জ হলো টিকার সরবরাহ।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন