বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হঠাৎ করে আমদানি বেড়ে যাওয়ায় ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। তবে ডলারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নজরদারি বাড়াতে হবে। কারণ, অর্থ পাচারের অন্যতম মাধ্যম হলো বাণিজ্য। দেশে হঠাৎ করে কেন ডলারের এত চাহিদা তৈরি হলো, তা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটও (বিএফআইইউ) খতিয়ে দেখতে পারে।

প্রবাসে থাকা অনেকের আয় কমে গেছে। অনেকে অনিশ্চয়তার মধ্যেও পড়ে গেছেন। সে জন্য তাঁরা কম পরিমাণ অর্থ পাঠাচ্ছেন। আবার অনেকে হাতে হাতে ডলার পাঠাচ্ছেন। কারণ, এভাবে পাঠালে বেশি টাকা পাওয়া যায়। এসব তো সহজেই মোকাবিলা করা যাবে না। তবে প্রবাসীদের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে হবে।

পাশাপাশি দেশের যেসব জায়গায় খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হয়, সেখানেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি বাড়াতে পারে। তাহলে কিছুটা চাপ তৈরি হবে। এতে বৈধ চ্যানেলে আয় বাড়তে পারে।

ব্যাংকগুলো সীমার বেশি ডলার ধারণ করে দাম বাড়াচ্ছে কি না, সেটিও দেখতে হবে। দাম ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু ডলার বিক্রি করে যাবে, এটা সমীচীন নয়। আশপাশের দেশগুলোর সঙ্গে ডলারের দাম সমন্বয় করতে হবে। প্রবাসী আয় বাড়াতে বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠানো এবং প্রবাসী আয় আনা আরও সহজ করতে হবে। তাহলেই ডলারের ওপর চাপ কমে আসবে। মনে রাখতে হবে, ডলারের দাম বাড়তে থাকলে ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়বে।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন