প্রথম আলোর বাণিজ্য পাতায় গতকাল শনিবার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা ও সংশোধনী দিয়েছেন অধ্যাপক মইনুল ইসলাম। সাক্ষাৎকারটির এক অংশে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ দেউলিয়া আদালত গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সংশোধনী হলো—১৯৯৮ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ঋণখেলাপি ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, আর দেউলিয়া আদালত গঠন করা হয়েছিল ২০০০ সালে।
আরেক অংশে বলা হয়েছে, দেশ থেকে ঋণ নিয়ে যে টাকা বাইরে পাচার হচ্ছে, তারই একটা অংশ আবার প্রবাসীদের মাধ্যমে দেশে আসছে। এর সংশোধনী হলো: অবৈধভাবে অর্জিত টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অবস্থান করা আত্মীয়–স্বজনের বৈদেশিক হিসাবের মাধ্যমে প্রবাসী আয় হিসেবে দেশে এনে সাদা করা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে আরও বলা হয়েছে, মোট শীর্ষ ঋণখেলাপির সংখ্যা ২০০-এর বেশি হবে না। এর ব্যাখ্যা —প্রতিটি ব্যাংকের শীর্ষ ১০ ঋণখেলাপির তালিকা করা হলে তা ৫৪০ হবে। একই ব্যক্তির একাধিক ব্যাংকে হিসাব থাকায় এ সংখ্যা ২০০–২৫০ জনের বেশি হবে না।

বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন