বিজ্ঞাপন

তবে তালিকার অভাবে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। মুশকিল হচ্ছে শহরের দরিদ্রদের নিয়ে। তাদের কাছে কিছুই পৌঁছায় না। তাদের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর ভালো কোনো পদ্ধতিও নেই। একটি ভালো উপায় হতে পারে এলাকাভিত্তিক ও পেশাভিত্তিক জনগোষ্ঠীকে বেছে নেওয়া। সরকার এটা নিয়ে গভীরভাবে ভাবুক। শুচিবায়ুগ্রস্ত না থেকে এনজিওগুলোকেও এ ব্যাপারে কাজে লাগাতে পারে সরকার। ঋণ বিতরণের কাজেও এনজিওগুলোকে লাগানো যায়।

গ্রামে অনেক কর্মসূচি আছে। আরও ভালোভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করার সুযোগ আছে। জানা গেল, ঈদের পরে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম (ওএমএস) চালু করা হবে। এটা ঠিক আছে। তবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমকে আরও জোরালো করা যায়। টিসিবির ট্রাক থেকে শহরের অনেক মধ্যবিত্তও পণ্য কেনেন।

দরিদ্র মানুষেরা তো বিপদে আছেই। এখন তো মধ্যবিত্তরাও বড় বিপদে। অনেকেই কাজ হারিয়েছেন। নিরুপায় হয়ে অনেকে ঢাকা ছেড়ে গেছেন এবং যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। শেষ কথা বলতে পারি, নতুন করে যে পাঁচ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, এগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নে সরকারকে মনোযোগী হতে হবে।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন