বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: বাংলাদেশের তরুণদের সার্বিক উন্নয়নে বিজমায়েস্ত্রোজ কী ধরনের অবদান রাখছে?

সাকশী হান্ডা: এ প্রতিযোগিতা গতানুগতিক প্রতিযোগিতা নয়; এটি ব্যবসার ক্ষেত্রে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির মঞ্চ হিসেবে কাজ করছে। ব্যবসাকে বুঝতে সহায়তা করা এবং এর চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করাই এ প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য। এভাবেই কারা ভবিষ্যতে ব্যবসায় নেতৃত্ব দেবে, তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে ৩০টি দল উত্তীর্ণ হয়। পরের ধাপে ছয়টি দল। শেষ ধাপে শীর্ষ দুটি দলের মধ্যে গ্রান্ড ফিনালে হবে। প্রতিবছরের চ্যাম্পিয়ন দল লন্ডনে অনুষ্ঠিত ফিউচার লিডারস লিগে অংশ নেয়। সেখানে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে।

বাংলাদেশের অপার ব্যবসায় সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে চায় ইউনিলিভার বাংলাদেশ। বিজমায়েস্ত্রোজসহ বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ তরুণকে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। বিজমায়েস্ত্রোজ ছাড়াও এ দেশের শিক্ষিত তরুণদের সঙ্গে ইউনিলিভার বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ব্যবসায় সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। গত এক বছরে এমন ২৪টি কর্ম অধিবেশন হয়েছে, যাতে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া ইউনিলিভার বাংলাদেশের ফেসবুক পেজের অনুসরণকারী প্রায় ১৯ লাখ। ইউনিলিভার এখন সারা বিশ্বেই তরুণদের ব্যবসায়িক উদ্ভাবন ও কাজ শেখার জন্য একটি সর্বোত্তম প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

প্রথম আলো: বাংলাদেশের মেধাবী তরুণেরা আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতার জন্য কি প্রস্তুত? নিজেদের সেভাবে গড়ে তুলতে তাঁদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?

সাকশী হান্ডা: বাংলাদেশের মেধাবীরা অবশ্যই আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম। এর প্রমাণ ইউনিলিভারেই আছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইউনিলিভারে ১২ জন বাংলাদেশি উচ্চ পদে কাজ করছেন। আমি মনে করি, পারফরম্যান্সই একজন মেধাবীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাবে। এ দেশের মেধাবীরা বেশ সাহসী। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুযোগ আসবেই। আমি ভারত থেকে বাংলাদেশে কাজ করতে এসেছি। আমি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। এ দেশের তরুণ মেধাবীরা অন্য দেশের মেধাবীদের তুলনায় পিছিয়ে নেই।

প্রথম আলো: বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতিতে বহুজাতিক কোম্পানির সুযোগ কতটুকু আছে?

সাকশী হান্ডা: অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল পর্যায়ে আছে। বেশির ভাগ বহুজাতিক কোম্পানি বাংলাদেশের বিশাল বাজারকে বেশ গুরুত্ব দেয়। ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি বেশি। এর মানে হলো বাংলাদেশের মানুষের আয় বাড়ছে। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পণ্য পছন্দ করে কেনার আয়সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে তাদের। এ দেশের মানুষ স্বাস্থ্য ও জীবনাচরণ নিয়ে সচেতন হচ্ছে। তাই ভোক্তাদের সামনে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও পণ্যের সমাহার বাড়ানোর সুযোগ বাড়ছে।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন