বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমনকি ইভ্যালির মতো ঘটনাগুলোও ই-কমার্স খাতের জন্য ইতিবাচক হয়েছে। এখন বোঝা যাচ্ছে, ভুলগুলো কোথায় ছিল। এই ঘটনা না ঘটলে হয়তো জানাই সম্ভব ছিল না কারা ভালো, কারা খারাপ। এখন সব স্পষ্ট হয়ে গেছে। মানুষও তুলনামূলক সচেতন হয়েছে। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠানে টাকা জমা দিয়ে যাঁরা পথে পথে ঘুরছেন, তাঁরা প্রকৃত ভোক্তা ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন বিনিয়োগকারী। বিনিয়োগে কিন্তু ঝুঁকি থাকেই। মুনাফার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না।

বিনিয়োগ আকারে অর্থ নিয়ে এসে প্রত্যন্ত অঞ্চলের তুলনামূলক কম সচেতন ব্যক্তি ও শহরের বেকার যুবকেরা যেভাবে ঝুঁকে পড়েছিলেন, এখন তাঁদের মধ্যে ভয় ঢুকেছে এবং সচেতনতা বেড়েছে। কিছু লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যৎ ই-কমার্সের জন্য শিক্ষণীয় ও সহায়ক হয়েছে ২০২১। প্রশ্ন হতে পারে, বেকার যুবকেরা কেন ঝুঁকলেন এই খাতে? এটা তো সত্যি যে বেকার যুবকদের যাওয়ার জায়গা খুব বেশি নেই।

প্রশ্ন উঠতে পারে, যাঁরা ক্ষতির শিকার হলেন, তাঁরা কি পাওনা টাকা পাবেন না? কেউ কেউ হয়তো পাবেন। সবাই না। আমি অন্তত এ ব্যাপারে কম আশাবাদী। কারণও আছে। যুবক, ডেসটিনি বা এ ধরনের আগের ঘটনাগুলোয় এখন পর্যন্ত কেউ টাকা ফেরত পাননি। ইভ্যালির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি ব্যবসাপদ্ধতি পাল্টিয়ে নতুন কিছু করে, তাহলে হয়তো ভালো কিছু হতে পারে।

সুবর্ণ বড়ুয়া, সহযোগী অধ্যাপক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন