বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এটাও মনে রাখা উচিত, যেকোনো দেশ যখন তার দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নতির জন্য কাজ করে, তার নিজ দেশের উন্নয়নের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ কাজ করা উচিত। কোনো সংস্থার প্রতিবেদনে উন্নতি করতেই সংস্কার কার্যক্রম করতে হবে, এ মানসিকতা থেকে সরে আসা উচিত।

বিশ্বব্যাংকের ব্যবসা সহজীকরণ সূচক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে অনেক সরকারি দপ্তরে একটা অজুহাত তৈরির শঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনকে সামনে রেখেই এত দিন সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছিল। যারা সংস্কার পছন্দ করে না, তারা এখন সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে অজুহাত দাঁড় করাবে।

তবে আমি আশা করছি, বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদনের বিকল্প কিছু বের হবে। নতুন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে। কারণ, বিশ্বব্যাপী এ প্রতিবেদনের চাহিদা আছে। চাহিদা না থাকলে এত বছর ধরে এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হতো না। তবে বিকল্প কী আসবে, তা দেখার বিষয়। কত দ্রুততার সঙ্গে নতুন কোন প্ল্যাটফর্ম আসবে, সেটা দেখার বিষয়। আমার বিশ্বাস, নতুন কোনো প্ল্যাটফর্ম বের হবেই।

বৈশ্বিক সংস্থার বাইরে বাংলাদেশের কোনো সংস্থা যদি এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করে, সেটা শুধু নিজ দেশ নিয়েই করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করা সম্ভব হবে না। এ কারণে বাংলাদেশের অবস্থানও জানা যাবে না। বিশ্বে যারা এখন ব্যবসা সহজীকরণে উত্তম চর্চা করে, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্য কোথায়, সেটা জানা জরুরি। সে জন্য বৈশ্বিকভাবে এই ধরনের প্রতিবেদন জরুরি।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন